মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:৪১ পূর্বাহ্ন | ৩১শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শনিবার, ১৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বাজারে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট: অস্থির হচ্ছে মাংস ও ডিমের বাজার

  • হালনাগাদ সময় : ১০:১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষ করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে এক ও দুই লিটারের বোতল এখন সোনার হরিণ। ক্রেতাদের অভিযোগ, উৎসবের আগে বাড়তি মুনাফার আশায় কোম্পানিগুলো পরিকল্পিতভাবে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিলাররা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত সামান্য পরিমাণ পণ্য সরবরাহ করছেন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানিগুলো দাম না বাড়ালেও কমিশন কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে গায়ের দামেই তেল বিক্রি করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অন্য পণ্য না কিনলে দোকানিরা সয়াবিন তেল বিক্রি করতে অনীহা প্রকাশ করছেন, যা সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে।

তেলের পাশাপাশি আমিষের বাজারেও অস্বস্তি বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ২২০ টাকায় ঠেকেছে। সোনালি মুরগি ও ডিমের দামও ঊর্ধ্বমুখী। রমজানের শুরুতে চাহিদা কিছুটা কম থাকলেও এখন ঈদকে সামনে রেখে প্রতিটি পণ্যের দামই লাগামহীন হয়ে পড়ছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকলে ঈদের আগে এই বাজার পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে সক্রিয় মাদক কারবারিরা: ফেসবুক ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে চলছে হোম ডেলিভারির রমরমা বাণিজ্য

31 October 2026

এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে আরও ৩ বছর সময় দিল জাতিসংঘ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বাজারে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট: অস্থির হচ্ছে মাংস ও ডিমের বাজার

হালনাগাদ সময় : ১০:১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষ করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে এক ও দুই লিটারের বোতল এখন সোনার হরিণ। ক্রেতাদের অভিযোগ, উৎসবের আগে বাড়তি মুনাফার আশায় কোম্পানিগুলো পরিকল্পিতভাবে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিলাররা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত সামান্য পরিমাণ পণ্য সরবরাহ করছেন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানিগুলো দাম না বাড়ালেও কমিশন কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে গায়ের দামেই তেল বিক্রি করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অন্য পণ্য না কিনলে দোকানিরা সয়াবিন তেল বিক্রি করতে অনীহা প্রকাশ করছেন, যা সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে।

তেলের পাশাপাশি আমিষের বাজারেও অস্বস্তি বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ২২০ টাকায় ঠেকেছে। সোনালি মুরগি ও ডিমের দামও ঊর্ধ্বমুখী। রমজানের শুরুতে চাহিদা কিছুটা কম থাকলেও এখন ঈদকে সামনে রেখে প্রতিটি পণ্যের দামই লাগামহীন হয়ে পড়ছে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি না থাকলে ঈদের আগে এই বাজার পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card