ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা। হাইওয়ে পুলিশের হাতে গতি পরিমাপক ‘স্পিড গান’ ও চালকদের মাদকাসক্তি পরীক্ষার ‘ডোপ টেস্ট’ সরঞ্জাম থাকলেও সেগুলোর কার্যকর ব্যবহার না থাকায় দুর্ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি কেবল কাগজ-কলমে মামলা দেওয়ার মধ্যেই সীমিত থাকছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনেরা।
হাইওয়ে পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরের গত ১০ মাসে মহাসড়কের ফেনী অংশে অন্তত ৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব মর্মান্তিক ঘটনায় ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে মিলে ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৯৫ জন। পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, ২০২৫ সালের একই সময়ে ৬৬ জন এবং ২০২৪ সালে ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন। ক্রমাগত এই মৃত্যুর মিছিল বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেনীর মহিপাল ও ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা এলাকার আওতাধীন অংশে চলতি বছরেই যথাক্রমে ৩৮টি ও ২৪টি মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে স্থানীয় চালক ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর কার্যকর তদন্ত ও চালক সনাক্তকরণের পরিবর্তে পুলিশ মূলত অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে মামলা করা ও গাড়ি জব্দের আনুষ্ঠানিকতাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে পার পেয়ে যায় মূল অপরাধীরা।

























