গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি মন্তব্য করেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার শেষ বিদায়ে বাধা সৃষ্টির মতো ঘটনা গোটা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।
সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী। মৃত্যুর পরও তাঁকে স্বাভাবিকভাবে সমাহিত করতে না দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা ও ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধের চরম অবমাননা।
বিবৃতিতে জিএম কাদের উল্লেখ করেন, মৃত্যুর প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর গভীর রাতে পুলিশি পাহারায় মানিক পশারীকে দাফন করা হয়েছে। খোঁড়া কবর মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়ায় স্বজনদের মুঠোফোনের আলোয় নতুন করে কবর খুঁড়তে হয়েছে, যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য এক অশনিসংকেত। তিনি পিরোজপুরের এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।
পুলিশ লাইনসে গোপনে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কেন আড়ালে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানাতে হবে? এ ধরনের পদক্ষেপ প্রশাসনের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও শোকাহত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।























