মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৩:১৬ অপরাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

  • হালনাগাদ সময় : ১২:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপে খননকাজ শেষে নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি পরীক্ষা চলছে। এই পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর গ্যাসের মোট মজুত এবং সুনির্দিষ্ট উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, নতুন এই কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড বা বাপেক্স গত মঙ্গলবার বিকেলে কূপটিতে গ্যাসের মজুত পাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে। এর আগে গত ২৮ জুলাই এই কূপের খননকাজ শুরু হয়েছিল।

বাপেক্স সূত্র জানিয়েছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতির আওতায় এমডব্লিউডি প্রযুক্তির ব্যবহারে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার বিশেষ স্তরে গ্যাসের শক্তিশালী উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরবর্তী দুই থেকে তিন দিন ডিএসটি পরীক্ষা চলবে এবং এর মাধ্যমেই কূপের প্রকৃত গ্যাস মজুতের পরিমাণ স্পষ্ট হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

কম্পিউটার হঠাৎ হ্যাং হলে পাওয়ার বাটন নয়: জেনে নিন নিরাপদ রিস্টার্টের সহজ উপায়

29 October 2026

মানবতাবিরোধী অপরাধে আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

হালনাগাদ সময় : ১২:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপে খননকাজ শেষে নতুন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি পরীক্ষা চলছে। এই পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর গ্যাসের মোট মজুত এবং সুনির্দিষ্ট উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, নতুন এই কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড বা বাপেক্স গত মঙ্গলবার বিকেলে কূপটিতে গ্যাসের মজুত পাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে। এর আগে গত ২৮ জুলাই এই কূপের খননকাজ শুরু হয়েছিল।

বাপেক্স সূত্র জানিয়েছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতির আওতায় এমডব্লিউডি প্রযুক্তির ব্যবহারে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার বিশেষ স্তরে গ্যাসের শক্তিশালী উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরবর্তী দুই থেকে তিন দিন ডিএসটি পরীক্ষা চলবে এবং এর মাধ্যমেই কূপের প্রকৃত গ্যাস মজুতের পরিমাণ স্পষ্ট হবে।

Share this news as a Photo Card