মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৪:০০ অপরাহ্ন | ৬ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ২১শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

৩৮ বছর সেবা দিয়েও বেতন কমল ফেনী সরকারি কলেজের ইমামের

  • হালনাগাদ সময় : ০২:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে ফেনী সরকারি কলেজ জামে মসজিদে ইমামতি করে আসা আবু নাছের মোহাম্মদ উল্ল্যাহর বেতন কমিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি তার মাসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেতন কমানোর কারণ প্রসঙ্গে ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, ইমাম মাস্টাররোলভুক্ত কর্মচারী। সরকারি বিধি অনুযায়ী দৈনিক ৭০০ টাকা হারে মাসে সর্বোচ্চ ২২ দিনের ভাতা হিসেবে ১৫ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অডিট আপত্তি আসার ঝুঁকি থাকে।

অন্যদিকে এই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য দাবি করে মাওলানা মোহাম্মদ উল্ল্যাহ বলেন, যেখানে সব জায়গায় জীবনযাত্রার ব্যয় ও বেতন বাড়ছে, সেখানে একজন প্রবীণ ইমামের বেতন কমিয়ে দেওয়া চরম জুলুম। ১৯৮৮ সাল থেকে টানা সেবা দিয়েও আজ পর্যন্ত পদটি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

কলেজ অধ্যক্ষ আরও জানান, বিষয়টির একটি বিকল্প সমাধানের জন্য একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করা হবে, তবে সরকারি বিধি ও নিয়মের বাইরে গিয়ে কলেজের তহবিল থেকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের সুযোগ নেই।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্টকাটে অর্থ উপার্জনের চিন্তা করলে ভালো আইনজীবী হওয়া যায় না: আইনমন্ত্রী

06 November 2026

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনাইমুড়ীতে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

৩৮ বছর সেবা দিয়েও বেতন কমল ফেনী সরকারি কলেজের ইমামের

হালনাগাদ সময় : ০২:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে ফেনী সরকারি কলেজ জামে মসজিদে ইমামতি করে আসা আবু নাছের মোহাম্মদ উল্ল্যাহর বেতন কমিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি তার মাসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১৫ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেতন কমানোর কারণ প্রসঙ্গে ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, ইমাম মাস্টাররোলভুক্ত কর্মচারী। সরকারি বিধি অনুযায়ী দৈনিক ৭০০ টাকা হারে মাসে সর্বোচ্চ ২২ দিনের ভাতা হিসেবে ১৫ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অডিট আপত্তি আসার ঝুঁকি থাকে।

অন্যদিকে এই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য দাবি করে মাওলানা মোহাম্মদ উল্ল্যাহ বলেন, যেখানে সব জায়গায় জীবনযাত্রার ব্যয় ও বেতন বাড়ছে, সেখানে একজন প্রবীণ ইমামের বেতন কমিয়ে দেওয়া চরম জুলুম। ১৯৮৮ সাল থেকে টানা সেবা দিয়েও আজ পর্যন্ত পদটি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

কলেজ অধ্যক্ষ আরও জানান, বিষয়টির একটি বিকল্প সমাধানের জন্য একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করা হবে, তবে সরকারি বিধি ও নিয়মের বাইরে গিয়ে কলেজের তহবিল থেকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের সুযোগ নেই।

Share this news as a Photo Card