মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৬:১৭ পূর্বাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ড্যাফোডিলের সহযোগিতায় দেশে প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালতের যাত্রা শুরু

  • হালনাগাদ সময় : ০২:৩৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বিচার বিভাগকে আধুনিক ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার আরও সহজ করতে দেশে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছে ‘ই-পারিবারিক আপিল আদালত ৩’ ও নতুন ‘ই-পারিবারিক আদালত ১৪’।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সম্মেলনকক্ষে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ বিশেষ আদালত দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ সময় বিচার ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশনে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবুল কালাম খানসহ বিজ্ঞ বিচারক, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং আইনজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে অংশ নেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রিয়াদুজ্জামান, সিএসই বিভাগের প্রভাষক মো. মেসবাউল ইসলাম জিয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি দলের সদস্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সূচনা করেছিল, তা বিচার বিভাগের আধুনিকায়নকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। তাদের অব্যাহত সমর্থন ছাড়া বিচার বিভাগের এই রূপান্তর হয়তো এতটা দ্রুত সম্ভব হতো না। একই সঙ্গে তিনি ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের দূরদর্শী অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং দেশের শিক্ষাঙ্গনে তার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালুর সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরা সংক্রান্ত আইনের কার্যকর প্রয়োগ শুরু হয়েছে। নতুন চালু হওয়া এ ই-পারিবারিক আপিল আদালতের মাধ্যমে পারিবারিক মামলাগুলোর নিষ্পত্তিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘসূত্রতা দূর হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯৪ কোটি টাকা বাজারমূল্যের তামাক আটক

29 October 2026

বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: জামিন পেল কিশোর চালক

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ড্যাফোডিলের সহযোগিতায় দেশে প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালতের যাত্রা শুরু

হালনাগাদ সময় : ০২:৩৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিচার বিভাগকে আধুনিক ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার আরও সহজ করতে দেশে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছে ‘ই-পারিবারিক আপিল আদালত ৩’ ও নতুন ‘ই-পারিবারিক আদালত ১৪’।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সম্মেলনকক্ষে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ বিশেষ আদালত দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ সময় বিচার ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশনে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবুল কালাম খানসহ বিজ্ঞ বিচারক, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং আইনজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে অংশ নেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রিয়াদুজ্জামান, সিএসই বিভাগের প্রভাষক মো. মেসবাউল ইসলাম জিয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি দলের সদস্যরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সূচনা করেছিল, তা বিচার বিভাগের আধুনিকায়নকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। তাদের অব্যাহত সমর্থন ছাড়া বিচার বিভাগের এই রূপান্তর হয়তো এতটা দ্রুত সম্ভব হতো না। একই সঙ্গে তিনি ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের দূরদর্শী অবদানের কথা উল্লেখ করেন এবং দেশের শিক্ষাঙ্গনে তার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালুর সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরা সংক্রান্ত আইনের কার্যকর প্রয়োগ শুরু হয়েছে। নতুন চালু হওয়া এ ই-পারিবারিক আপিল আদালতের মাধ্যমে পারিবারিক মামলাগুলোর নিষ্পত্তিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং সেবাগ্রহীতাদের দীর্ঘসূত্রতা দূর হবে।

Share this news as a Photo Card