জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে বিভিন্ন এলাকার মসজিদে ইমামতির চাকরি নিতেন তিনি। এরপর ইমামতির সুবাদে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে নানা প্রলোভনে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
জামালপুরের মেলান্দহসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার অভিযোগে মুফতি মিজানুর রহমানকে (৪৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মেলান্দহের মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমামতি করতে এসে স্থানীয়দের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি নেওয়ার অভিযোগের পর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। অবশেষে পুলিশের কৌশলী অভিযানে কুমিল্লা নগরের শাসনগাছা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
ভুক্তভোগীদের পক্ষে দায়ের করা নতুন একটি মামলায় তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মেলান্দহ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে।
মুফতি মিজানুর রহমান মেলান্দহ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেখানে যোগদানের প্রায় তিন মাসের মাথায় স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রলোভন ও নানা অজুহাতে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ আত্মগোপনে চলে যান।
গ্রেফতার মিজানুর রহমান কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার উত্তর গাজীপুরের আসরা মসজিদবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মুহা. ইসমাঈল মজুমদার এবং মায়ের নাম মোছা. হাসিনা মাহমুদা নার্গিস।
পুলিশ জানায়, জামালপুরের পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় মেলান্দহ থানা পুলিশের একটি দল তাঁকে গ্রেফতারে অভিযান চালায়। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে অবস্থান শনাক্তের পর কৌশলে তাঁকে ডেকে এনে গ্রেফতার করা হয়।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর রহমান জুয়ার টাকা জোগাড় করতে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

























