মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:৫৮ অপরাহ্ন | ৬ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ২১শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

আশুলিয়ায় কারখানা খোলা, শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা

  • হালনাগাদ সময় : ০১:০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকার সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে চালু রয়েছে ৮৮টি পোশাক কারখানা। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও রয়েছে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে শিল্প পুলিশের সদস্যরা।

শুক্রবার সকালে উপজেলার সাভারের হেমায়েতপুর, সাভার এবং আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। শিল্প পুলিশ জানায়, স্বাভাবিক সময়েও ছুটির দিনে কিছু কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। বিশেষ করে যাদের জরুরি শিপমেন্ট বা রপ্তানি আদেশ থাকে, তাদের অনেকেই কারখানা খোলা রাখেন। একইভাবে আজও ছুটির দিনে ৮৮টি কারখানা খোলা রয়েছে। এসব কারখানায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। এমনিতে শুক্রবার ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকে, তবে যাদের জরুরি প্রয়োজন থাকে তারা কারখানা চালু রাখেন। এরকমই ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে এবং পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সকাল থেকে পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক রয়েছে। জরুরি প্রয়োজন রয়েছে এমন পোশাক কারখানাগুলো চালু থাকায় শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন এবং পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইন বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, স্বাভাবিক সময়েও কিছু কারখানা ছুটির দিনে চালু থাকে নানা জরুরি প্রয়োজনে। আমরা ইতোমধ্যে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছি। শিল্পাঞ্চলে গতকাল থেকেই একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে এবং পুরোদমে কাজ শুরু হলেও এই পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এখন মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের আপাতত কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখা প্রয়োজন। তবে শ্রমিকদের মধ্যে যাতে কোনো আতঙ্ক তৈরি না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে তাঁদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্টকাটে অর্থ উপার্জনের চিন্তা করলে ভালো আইনজীবী হওয়া যায় না: আইনমন্ত্রী

06 November 2026

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনাইমুড়ীতে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

আশুলিয়ায় কারখানা খোলা, শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা

হালনাগাদ সময় : ০১:০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকার সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে চালু রয়েছে ৮৮টি পোশাক কারখানা। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও রয়েছে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে শিল্প পুলিশের সদস্যরা।

শুক্রবার সকালে উপজেলার সাভারের হেমায়েতপুর, সাভার এবং আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। শিল্প পুলিশ জানায়, স্বাভাবিক সময়েও ছুটির দিনে কিছু কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। বিশেষ করে যাদের জরুরি শিপমেন্ট বা রপ্তানি আদেশ থাকে, তাদের অনেকেই কারখানা খোলা রাখেন। একইভাবে আজও ছুটির দিনে ৮৮টি কারখানা খোলা রয়েছে। এসব কারখানায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। এমনিতে শুক্রবার ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকে, তবে যাদের জরুরি প্রয়োজন থাকে তারা কারখানা চালু রাখেন। এরকমই ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে এবং পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সকাল থেকে পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক রয়েছে। জরুরি প্রয়োজন রয়েছে এমন পোশাক কারখানাগুলো চালু থাকায় শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন এবং পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইন বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, স্বাভাবিক সময়েও কিছু কারখানা ছুটির দিনে চালু থাকে নানা জরুরি প্রয়োজনে। আমরা ইতোমধ্যে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছি। শিল্পাঞ্চলে গতকাল থেকেই একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে এবং পুরোদমে কাজ শুরু হলেও এই পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এখন মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের আপাতত কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখা প্রয়োজন। তবে শ্রমিকদের মধ্যে যাতে কোনো আতঙ্ক তৈরি না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে তাঁদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

Share this news as a Photo Card