ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত বিশেষ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ভেনেজুয়েলার সেনাসদস্য ছাড়াও বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত শনিবার মধ্যরাতে রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে একযোগে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এ সময় ভেনেজুয়েলার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়। মূলত মাদুরোকে লক্ষ্য করেই এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।
এদিকে, এই অভিযানে ভেনেজুয়েলার মিত্র দেশ কিউবার ৩২ জন সশস্ত্র সেনাসদস্য ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। কিউবা সরকার সোমবার এই তথ্য নিশ্চিত করে দেশটিতে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। কিউবার পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ৩ জানুয়ারি মধ্যরাতে কারাকাসের একটি ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বিশেষ বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’। সেই সময় মাদুরোর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কিউবান সদস্যরা মার্কিন বাহিনীর গতিরোধ করার চেষ্টা করলে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।
কিউবা সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের সদস্যরা পেশাদারিত্ব ও সাহসের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়েছেন এবং তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ দাবি করেছেন, মাদুরোকে আটকের এই সুপরিকল্পিত অভিযানে ইহুদিবাদী শক্তিগুলোর পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় ধরে কিউবা ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে গভীর রাজনৈতিক ও সামরিক মিত্রতা বজায় ছিল। নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কিউবান সেনা ও গোয়েন্দা সদস্যরা তার নিরাপত্তার একটি বড় অংশজুড়ে নিয়োজিত ছিলেন। তবে হামলার সময় ঠিক কতজন কিউবান সেনা সেখানে অবস্থান করছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টারের নাম 

























