পুলিশ হিমাংশির লিভ-ইন পার্টনার আবদুল গফুরের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, ২৩ ডিসেম্বর টরন্টোর রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হয় ২০ বছরের ছাত্র শিবাঙ্ককে।
সর্বশেষ খুনের ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করে বোর্ডম্যান বলেছেন, আমরা শুধু জানি একজন ভারতীয় খুন হয়েছেন। কিন্তু কেন, কীভাবে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তা নিয়ে পুলিশ অন্ধকারে। টরন্টো পুলিশের কাছ থেকে চরম অযোগ্যতা ছাড়া আর কিছু আশা করা যায় না।
বোর্ডম্যানের আরও দাবি, আসলে কানাডা পুলিশের অগ্রাধিকারই ভিন্ন। কোনও অ-শ্বেতাঙ্গ সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়ে কেউ অনলাইনে সামান্য কটু মন্তব্য করলেও কারও ৫০ বছরের জেল হতে পারে। অথচ খুনের মতো গুরুতর অপরাধকে পুলিশ গুরুত্বই দেয় না।
তার আশঙ্কা পুলিশ হয়তো এই দুই ভারতীয়ের খুনিকে ধরতেও পারবে না। আর যদি ধরেও তবে তাদের মাত্র তিন বছরের সাজা হবে। তিন বছর পরে ছাড়া পেয়ে সে আবার রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে। এই ‘লঘু শাস্তি’র সংস্কৃতিই অপরাধীদের সাহস বাড়াচ্ছে বলে দাবি তার।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে তারা। তবে প্রশ্ন উঠছে— উচ্চশিক্ষা বা কর্মসূত্রে যাওয়া ভারতীয়দের জন্য কানাডা কি আর নিরাপদ নয়?
-এমএমএস
রিপোর্টারের নাম 





















