ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

‘কতিপয় সেনা সদস্য মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন, তবে প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হতে পারে না’: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য দেশের বিদ্যমান আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন। রোববার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় দেশবাসী গর্বিত থাকতে চায়। তার দাবি, এই বাহিনীর কিছু সদস্য ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনায় প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে অন্ধ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। এর ফলস্বরূপ দেশে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের।

তবে, জামায়াত আমির স্পষ্ট করে বলেছেন, সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না; অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে। এরই মধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই বিচার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করার স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া এবং অভিযুক্তদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়ার উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।

ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, এই বিচার প্রক্রিয়ায় যেন কারও ওপর কোনো অবিচার চাপিয়ে দেওয়া না হয়। তিনি প্রত্যাশা করেন, স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অপরাধীরা যথাযথ শাস্তির সম্মুখীন হবেন। তিনি মনে করেন, এতে কেবল অতীতের দায়ই মুছে যাবে না, বরং ভবিষ্যতে কেউ নিজের পেশা বা পরিচয়কে ব্যবহার করে জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। তাঁর বিশ্বাস, এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে জাতি উপকৃত হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানি চেঞ্জারদের লাইসেন্স নবায়ন ফি দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে

‘কতিপয় সেনা সদস্য মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন, তবে প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হতে পারে না’: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৪:০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য দেশের বিদ্যমান আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন। রোববার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় দেশবাসী গর্বিত থাকতে চায়। তার দাবি, এই বাহিনীর কিছু সদস্য ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনায় প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে অন্ধ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। এর ফলস্বরূপ দেশে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের।

তবে, জামায়াত আমির স্পষ্ট করে বলেছেন, সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না; অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে। এরই মধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই বিচার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করার স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া এবং অভিযুক্তদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়ার উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।

ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, এই বিচার প্রক্রিয়ায় যেন কারও ওপর কোনো অবিচার চাপিয়ে দেওয়া না হয়। তিনি প্রত্যাশা করেন, স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অপরাধীরা যথাযথ শাস্তির সম্মুখীন হবেন। তিনি মনে করেন, এতে কেবল অতীতের দায়ই মুছে যাবে না, বরং ভবিষ্যতে কেউ নিজের পেশা বা পরিচয়কে ব্যবহার করে জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। তাঁর বিশ্বাস, এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে জাতি উপকৃত হবে।