আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে ইসলামিক ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. গিয়াসউদ্দিন তাহেরী। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিজের নির্বাচনী এলাকায় তিনি ভোট দিতে পারছেন না। নির্বাচনী হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, তার ভোটার এলাকা হবিগঞ্জ-৪ নয়, বরং কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা। ফলে নিজের প্রার্থিতা থাকা সত্ত্বেও তার ভোটটি নিজের প্রতীকে যুক্ত হচ্ছে না।
নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, একজন ভোটার কেবল তার নিবন্ধিত এলাকার ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে পারেন। এই কারণে, তাহেরী সরাসরি ভোট দেন বা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে চান, কোনো পদ্ধতিতেই তার ভোট নিজের প্রতীক ‘মোমবাতি’তে পড়বে না। একজন প্রার্থী হয়েও নিজের ভোটটি নিজের ঝুলিতে জমা করতে না পারার এই বিষয়টি স্থানীয় নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ২৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪০ হাজার ৯০ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৭১ হাজার ১৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ২ জন। এই আসনে মোট ১৮৩টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্র এবং ১ হাজার ১৬টি স্থায়ী ও ৪১টি অস্থায়ী ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
নির্বাচনী এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে রয়েছেন চা-শ্রমিক ভোটাররা। জেলায় মোট সোয়া লাখ চা-শ্রমিক ভোটারের মধ্যে প্রায় এক লাখের বসবাস চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলায়, যা এই আসনের অন্তর্ভুক্ত। ঐতিহ্যগতভাবে চা-শ্রমিকরা ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন; অতীতে তাদের কাছে ভোট চাইতে গেলে প্রায়শই ‘নৌকা নিয়ে আসো’ এমন মন্তব্য শোনা যেত। তবে এবারের নির্বাচনে শিল্পপতি এসএম ফয়সলের ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে তাদের ভোট যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।
রিপোর্টারের নাম 




















