ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৩০

কিশোরগঞ্জে বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মী ও যুবদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে সভাস্থলে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের একটি নির্ধারিত স্থানে পূর্বঘোষিত জনসভার আয়োজন করেছিল বিএনপি। সভার কার্যক্রম চলাকালীন মঞ্চের সামনে বসা নিয়ে যুবদলের একদল কর্মীর সঙ্গে মূল দলের নেতাকর্মীদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সহিংসতায় সভাস্থল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ইটের আঘাত ও লাঠির আঘাতে আহত অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষের কারণে জনসভার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে এবং সাধারণ কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সভাস্থল ও এর আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলার সূচি: আজ টিভিতে যেসব ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচ দেখা যাবে

কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৩০

আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

কিশোরগঞ্জে বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মী ও যুবদলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে সভাস্থলে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের একটি নির্ধারিত স্থানে পূর্বঘোষিত জনসভার আয়োজন করেছিল বিএনপি। সভার কার্যক্রম চলাকালীন মঞ্চের সামনে বসা নিয়ে যুবদলের একদল কর্মীর সঙ্গে মূল দলের নেতাকর্মীদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।

দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সহিংসতায় সভাস্থল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ইটের আঘাত ও লাঠির আঘাতে আহত অন্তত ৩০ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষের কারণে জনসভার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে এবং সাধারণ কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সভাস্থল ও এর আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।