ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

“ভোলা সদরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পেয়েছি: ব্যারিস্টার পার্থ”

ভোলা-১ সদর আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, তারেক রহমান তাকে ভোলা সদরের মানুষের পাশে থাকার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই আস্থা ও বিশ্বাসের সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। পার্থ বলেন, “ঢাকার মানুষ আমাকে পছন্দ করে, কিন্তু ভোলার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। আপনাদের এই ভালোবাসাই আমাকে জনাব তারেক রহমানের আশীর্বাদ নিয়ে আপনাদের সেবায় হাজির হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে। আমি এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম, চেয়েছিলাম বাবার মতো ভোলার মানুষের পাশে থাকতে। আল্লাহ আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন, যা আমি কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চাই না।” তিনি আরও জানান, বিএনপির এই অঞ্চলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়েই তার আগামী দিনের পথচলা।

তিনি স্পষ্ট করেন যে, তিনি কোনো সংঘাত বা হানাহানি চান না। তিনি বলেন, “জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের ভাইয়েরা যদি মনে করেন তারা আমার চেয়ে বেশি যোগ্য, তবে তাদেরকেই আপনারা নির্বাচিত করুন। কিন্তু যদি আপনারা মনে করেন, ভোলায় মেডিকেল কলেজ, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণসহ সামগ্রিক উন্নয়নে আমি জাতীয় সংসদ এবং বাংলাদেশের মধ্যে ভোলাকে উজ্জ্বল করতে পারব, তাহলে আমাকেই আপনারা নির্বাচিত করবেন।”

শনিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) মনোনয়ন পাওয়ার পর ভোলায় আগত এই নেতাকে হাজার হাজার জনতা গণসংবর্ধনা জানায়। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

পার্থ স্মরণ করেন, “যখন আমি শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতাম, টকশোতে বলিষ্ঠ কণ্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করতাম, তখন ভোলার আর কাউকে এই প্রতিবাদে অংশ নিতে দেখিনি। আমি সেই দুর্দিনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।” তিনি আবারও বলেন, “আমি কোনো ধরনের হানাহানি, কাটাকাটি বা মারামারি চাই না। আশা করি, আপনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত রেখে সকল ভেদাভেদ ভুলে আপনাদের পাশে থাকার সুযোগ দেবেন।”

ভোলা খেয়াঘাট থেকে খোলা গাড়িতে চড়ে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নারী-পুরুষদের প্রতি হাত নেড়ে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি শহরে প্রবেশ করেন। পরে নতুন বাজার জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বিজেপির জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোতাসিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে, জোটবদ্ধ শরিক দল বিএনপির জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের কোনো নেতাদের এই গণসংবর্ধনায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় ককরোচ পার্টি, সময় চাইল মোদি সরকার

“ভোলা সদরের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পেয়েছি: ব্যারিস্টার পার্থ”

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ভোলা-১ সদর আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, তারেক রহমান তাকে ভোলা সদরের মানুষের পাশে থাকার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই আস্থা ও বিশ্বাসের সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। পার্থ বলেন, “ঢাকার মানুষ আমাকে পছন্দ করে, কিন্তু ভোলার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। আপনাদের এই ভালোবাসাই আমাকে জনাব তারেক রহমানের আশীর্বাদ নিয়ে আপনাদের সেবায় হাজির হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে। আমি এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম, চেয়েছিলাম বাবার মতো ভোলার মানুষের পাশে থাকতে। আল্লাহ আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন, যা আমি কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চাই না।” তিনি আরও জানান, বিএনপির এই অঞ্চলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়েই তার আগামী দিনের পথচলা।

তিনি স্পষ্ট করেন যে, তিনি কোনো সংঘাত বা হানাহানি চান না। তিনি বলেন, “জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের ভাইয়েরা যদি মনে করেন তারা আমার চেয়ে বেশি যোগ্য, তবে তাদেরকেই আপনারা নির্বাচিত করুন। কিন্তু যদি আপনারা মনে করেন, ভোলায় মেডিকেল কলেজ, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণসহ সামগ্রিক উন্নয়নে আমি জাতীয় সংসদ এবং বাংলাদেশের মধ্যে ভোলাকে উজ্জ্বল করতে পারব, তাহলে আমাকেই আপনারা নির্বাচিত করবেন।”

শনিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) মনোনয়ন পাওয়ার পর ভোলায় আগত এই নেতাকে হাজার হাজার জনতা গণসংবর্ধনা জানায়। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

পার্থ স্মরণ করেন, “যখন আমি শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে কথা বলতাম, টকশোতে বলিষ্ঠ কণ্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করতাম, তখন ভোলার আর কাউকে এই প্রতিবাদে অংশ নিতে দেখিনি। আমি সেই দুর্দিনের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।” তিনি আবারও বলেন, “আমি কোনো ধরনের হানাহানি, কাটাকাটি বা মারামারি চাই না। আশা করি, আপনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত রেখে সকল ভেদাভেদ ভুলে আপনাদের পাশে থাকার সুযোগ দেবেন।”

ভোলা খেয়াঘাট থেকে খোলা গাড়িতে চড়ে রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নারী-পুরুষদের প্রতি হাত নেড়ে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি শহরে প্রবেশ করেন। পরে নতুন বাজার জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বিজেপির জেলা সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মোতাসিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে, জোটবদ্ধ শরিক দল বিএনপির জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের কোনো নেতাদের এই গণসংবর্ধনায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি।