ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

রামুতে প্রতিপক্ষের গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী নিহত: ১১ মামলার আসামি ‘লেদাপুতু’

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে শফিউল আলম ওরফে লেদাপুতু (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ওই এলাকার আলোচিত ডাকাত সর্দার শাহীনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা বেলতলী কাটা মসজিদ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত শফিউল আলম গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম ও তার বাহিনীর সদস্যরা অতর্কিতভাবে শফিউল আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জুয়েল চৌধুরী দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত শফিউল আলমের বিরুদ্ধে হত্যাসহ অন্তত ১১টি বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, রাতে খাবার খাওয়ার সময় শফিউলকে কৌশলে ঘর থেকে বাইরে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, নিহত শফিউল আলম দীর্ঘদিন ধরে রামুর পাহাড়ি অঞ্চলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত শাহীন ডাকাতের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ চোরাচালানসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার স্মরণে রাবিতে এতিমদের সঙ্গে ইফতার, কুরআন বিতরণ ছাত্রদল নেতার

রামুতে প্রতিপক্ষের গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগী নিহত: ১১ মামলার আসামি ‘লেদাপুতু’

আপডেট সময় : ০১:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে শফিউল আলম ওরফে লেদাপুতু (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ওই এলাকার আলোচিত ডাকাত সর্দার শাহীনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা বেলতলী কাটা মসজিদ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত শফিউল আলম গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম ও তার বাহিনীর সদস্যরা অতর্কিতভাবে শফিউল আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জুয়েল চৌধুরী দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত শফিউল আলমের বিরুদ্ধে হত্যাসহ অন্তত ১১টি বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, রাতে খাবার খাওয়ার সময় শফিউলকে কৌশলে ঘর থেকে বাইরে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, নিহত শফিউল আলম দীর্ঘদিন ধরে রামুর পাহাড়ি অঞ্চলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত শাহীন ডাকাতের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ চোরাচালানসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।