বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় ক্রমবর্ধমান হত্যাযজ্ঞ দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সিনেমার দৃশ্যের মতো নৃশংস হত্যাকাণ্ড প্রায়শই সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে, যা জনমনে ভীতির সঞ্চার করছে। এই ধরনের ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত জীবনকেই ধ্বংস করছে না, বরং জাতীয় নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বের উপরও গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।
সীমান্তে ঘটে যাওয়া প্রতিটি হত্যাকাণ্ড আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের উপর এক একটি আঘাত। কিছু মহল এই নৃশংসতাকে আড়াল করে অপরাধীদের বীরের মর্যাদা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। অপরাধীরা নির্বিঘ্নে নিরাপদে আশ্রয় গ্রহণ করছে, অন্যদিকে সীমান্তরক্ষীরা অনেক সময়ই অরক্ষিত অবস্থায় থাকছে। এই সুযোগে কিছু অসাধু চক্র ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে।
সীমান্তের এই “শকুনেরা” কেবল রক্তই শোষণ করছে না, তারা বাংলাদেশের মেধাকেও গ্রাস করছে। মুখোশের আড়ালে থাকা অচেনা শক্তিগুলো আধিপত্য বিস্তারের খেলায় মেতে উঠেছে। তারা জাতীয় চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে দেশকে গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ করতে চায়। এই চক্রান্ত রুখতে এবং জাতীয় অস্তিত্বকে রক্ষা করতে হলে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সকল প্রকার ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য।
রিপোর্টারের নাম 


















