মানুষের জীবন ও ভাগ্যের এক অদ্ভুত মেলবন্ধন রয়েছে। কখনও কখনও মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুখের খুব কাছে গিয়েও তা ছুঁতে পারে না। এই না পাওয়ার বেদনা আর ভাগ্যের নির্মম পরিহাস নিয়ে তৈরি হয় একেকটি বিষাদময় গল্প। জীবনের পূর্ণতা খুঁজতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ার এই পথপরিক্রমা যেন এক চিরন্তন ও রূঢ় বাস্তবতা।
লোকজ বিশ্বাসে দুটি শালিকের দেখা পাওয়াকে শুভলক্ষণ বা সুদিনের ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়। হৃদয়ের কোণে জমে থাকা বিষাদ দূর করে সুদিন ফিরিয়ে আনতে জীবনের এই পূর্ণতা বা এক হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় মানুষের ভাবনার অনুকূলে থাকে না। জীবনের পথে চলতে গিয়ে হয়তো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের একটির দেখা মেলে, কিন্তু পূর্ণতা পাওয়ার আশায় অন্যটির সন্ধানে বের হয়ে মানুষ নিজেই হারিয়ে যায় অজানার পথে।
এটি কেবল সাধারণ কোনো আক্ষেপ নয়, বরং অনেকের কাছে এটিই ললাটলিখন বা ‘নসিব’। ভাগ্যের এই অদ্ভুত লিখন মানুষকে কখনও হাসায়, আবার কখনও করে তোলে চরমভাবে বিমর্ষ। জীবনের পাতায় এমন কিছু গল্প লেখা থাকে, যা বাহ্যিকভাবে বিদ্রূপাত্মক মনে হলেও এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে গভীর জীবনদর্শন ও হাহাকার। ভাগ্যের এই গোলকধাঁধায় পড়ে মানুষ যখন নিজের অস্তিত্বের সংকটে ভোগে, তখনই উন্মোচিত হয় জীবনের সবচেয়ে কঠিন ও পরিহাসমূলক সত্যগুলো। মূলত মানুষের নিয়তি বা নসিবের এই বিচিত্র খেলাই জীবনকে এক অপূর্ণতার বৃত্তে বন্দি করে রাখে।
রিপোর্টারের নাম 


















