ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

রাজধানীতে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু: সড়ক দুর্ঘটনায় একজন, পারিবারিক কলহে অপরজন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর শ্যামপুরে দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী এবং সবুজবাগে পারিবারিক কলহের জেরে এক লেগুনা চালকসহ পৃথক দুটি ঘটনায় শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই শুক্রবার) দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন শ্যামপুরের সবুজ খান (৫৫) এবং সবুজবাগের পিন্টু (৩৫)।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শ্যামপুর বাজার এলাকায় একটি দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সবুজ খান গুরুতর আহত হন। তিনি পেশায় একটি ডাইং কোম্পানির ম্যানেজার ছিলেন এবং পাওনা টাকা উত্তোলনের জন্য মোটরসাইকেলে বেরিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাঈম আহমেদ জানান, পরিবারের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই সবুজ খানের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপ ভ্যানটি পালিয়ে যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে এটিকে শনাক্ত করা যায়নি। গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও এসআই নাঈম আহমেদ উল্লেখ করেন। নিহত সবুজ খান নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার নিশ্চিতপুর গ্রামের সিরাজ খানের ছেলে।

অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে রাজধানীর সবুজবাগের দক্ষিণ মাদারটেক এলাকার ভাড়া বাসায় পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন পিন্টু নামের এক লেগুনা চালক। স্বজনরা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে পিন্টু নিজ কক্ষে এই ঘটনা ঘটান।

নিহত পিন্টুর বোন রাণী বেগম জানান, তার ভাই পিন্টুর (৩৫) স্ত্রী সিপা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রায় এক মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান এবং আর ফিরে আসেননি। শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে পিন্টু তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বিকেল ৪টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক জানান, পিন্টুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। পিন্টু নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার লেগুনা চালক গুলজার হোসেনের ছেলে। তিনি দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে ছোট ছিলেন এবং এক সন্তানের জনক ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলার সূচি: আজ টিভিতে যেসব ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচ দেখা যাবে

রাজধানীতে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু: সড়ক দুর্ঘটনায় একজন, পারিবারিক কলহে অপরজন

আপডেট সময় : ১০:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর শ্যামপুরে দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী এবং সবুজবাগে পারিবারিক কলহের জেরে এক লেগুনা চালকসহ পৃথক দুটি ঘটনায় শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই শুক্রবার) দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন শ্যামপুরের সবুজ খান (৫৫) এবং সবুজবাগের পিন্টু (৩৫)।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শ্যামপুর বাজার এলাকায় একটি দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সবুজ খান গুরুতর আহত হন। তিনি পেশায় একটি ডাইং কোম্পানির ম্যানেজার ছিলেন এবং পাওনা টাকা উত্তোলনের জন্য মোটরসাইকেলে বেরিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাঈম আহমেদ জানান, পরিবারের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই সবুজ খানের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপ ভ্যানটি পালিয়ে যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে এটিকে শনাক্ত করা যায়নি। গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও এসআই নাঈম আহমেদ উল্লেখ করেন। নিহত সবুজ খান নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার নিশ্চিতপুর গ্রামের সিরাজ খানের ছেলে।

অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে রাজধানীর সবুজবাগের দক্ষিণ মাদারটেক এলাকার ভাড়া বাসায় পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন পিন্টু নামের এক লেগুনা চালক। স্বজনরা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে পিন্টু নিজ কক্ষে এই ঘটনা ঘটান।

নিহত পিন্টুর বোন রাণী বেগম জানান, তার ভাই পিন্টুর (৩৫) স্ত্রী সিপা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রায় এক মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান এবং আর ফিরে আসেননি। শুক্রবার দুপুরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে পিন্টু তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বিকেল ৪টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক জানান, পিন্টুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। পিন্টু নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার লেগুনা চালক গুলজার হোসেনের ছেলে। তিনি দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে ছোট ছিলেন এবং এক সন্তানের জনক ছিলেন।