ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

পদ্মাসেতুতে টোল পরিশোধ এখন আরও সহজ: যুক্ত হলো ‘নগদ’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার পদ্মাসেতু পারাপারে যাত্রীরা মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’-এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টোল পরিশোধ করতে পারবেন। নগদ গ্রাহকেরা তাদের ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নিমিষেই এই টোল প্রদানের সুবিধা পাবেন।

সম্প্রতি সরকারের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের ‘এক পে’ (ekPay) প্ল্যাটফর্মের ইন্টারঅপারেবল টোল পেমেন্ট সিস্টেম ‘ডি-টোল’-এর সাথে যুক্ত হয়েছে নগদ। এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে গ্রাহকদের জন্য ক্যাশলেস টোল প্রদানের পথ সুগম হয়েছে।

নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে টোল পরিশোধের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ ও গ্রাহকবান্ধব করা হয়েছে। এই সুবিধা পেতে গ্রাহককে প্রথমেই নগদ অ্যাপের ‘টোল’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য অ্যাপে লগইন করে ‘টোল’ অপশন থেকে ‘ট্যাপ টু ইউজ’ বাছাই করতে হবে। এরপর নিজের নাম ও শর্তাবলীতে সম্মতি দিয়ে সাবমিট করলেই প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হবে।

পরবর্তী ধাপে গ্রাহককে তার নগদ ওয়ালেটটি এই সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। এজন্য ‘ওয়ালেট অ্যাটাচ’ অপশনে গিয়ে নিজের মোবাইল নম্বর প্রদান করলে একটি ওটিপি (OTP) পাওয়া যাবে। ওটিপি এবং পিন নম্বর ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়ালেট যুক্ত করার কাজ শেষ হলে গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যালেন্স টপ-আপ করে নিতে পারবেন।

টোল প্রদানের জন্য গ্রাহকের যানবাহনের সঠিক তথ্য অ্যাপে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার পর ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে সফলভাবে নিবন্ধন শেষ হলে সেই যানবাহনটি নগদের মাধ্যমে টোল প্রদানের জন্য প্রস্তুত হবে। তবে প্রথমবারের মতো এই সেবা ব্যবহারের আগে মাওয়া টোল প্লাজায় বিআরটিএ অনুমোদিত আরএফআইডি (RFID) ট্যাগটি একবার যাচাই করে নিতে হবে।

এই ডিজিটাল সেবা চালুর ফলে পদ্মাসেতুর টোল প্লাজায় আর নগদ টাকার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। যাত্রীরা নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ করে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ETC) লেন ব্যবহার করে দ্রুত সেতু পার হতে পারবেন। এতে করে টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও যানজটের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি সময়ও সাশ্রয় হবে। আধুনিক এই প্রযুক্তিগত সুবিধা যাতায়াতকে আরও দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং নিরাপদ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সেবা সংক্রান্ত যেকোনো অতিরিক্ত তথ্যের জন্য গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনুসরণ করতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থাভাবে বন্ধ হতে বসা শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের পাশে দাঁড়ালেন ছাত্রদল নেতা

পদ্মাসেতুতে টোল পরিশোধ এখন আরও সহজ: যুক্ত হলো ‘নগদ’

আপডেট সময় : ০১:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার পদ্মাসেতু পারাপারে যাত্রীরা মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’-এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টোল পরিশোধ করতে পারবেন। নগদ গ্রাহকেরা তাদের ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নিমিষেই এই টোল প্রদানের সুবিধা পাবেন।

সম্প্রতি সরকারের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের ‘এক পে’ (ekPay) প্ল্যাটফর্মের ইন্টারঅপারেবল টোল পেমেন্ট সিস্টেম ‘ডি-টোল’-এর সাথে যুক্ত হয়েছে নগদ। এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে গ্রাহকদের জন্য ক্যাশলেস টোল প্রদানের পথ সুগম হয়েছে।

নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে টোল পরিশোধের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ ও গ্রাহকবান্ধব করা হয়েছে। এই সুবিধা পেতে গ্রাহককে প্রথমেই নগদ অ্যাপের ‘টোল’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য অ্যাপে লগইন করে ‘টোল’ অপশন থেকে ‘ট্যাপ টু ইউজ’ বাছাই করতে হবে। এরপর নিজের নাম ও শর্তাবলীতে সম্মতি দিয়ে সাবমিট করলেই প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হবে।

পরবর্তী ধাপে গ্রাহককে তার নগদ ওয়ালেটটি এই সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। এজন্য ‘ওয়ালেট অ্যাটাচ’ অপশনে গিয়ে নিজের মোবাইল নম্বর প্রদান করলে একটি ওটিপি (OTP) পাওয়া যাবে। ওটিপি এবং পিন নম্বর ব্যবহারের মাধ্যমে ওয়ালেট যুক্ত করার কাজ শেষ হলে গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যালেন্স টপ-আপ করে নিতে পারবেন।

টোল প্রদানের জন্য গ্রাহকের যানবাহনের সঠিক তথ্য অ্যাপে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার পর ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে সফলভাবে নিবন্ধন শেষ হলে সেই যানবাহনটি নগদের মাধ্যমে টোল প্রদানের জন্য প্রস্তুত হবে। তবে প্রথমবারের মতো এই সেবা ব্যবহারের আগে মাওয়া টোল প্লাজায় বিআরটিএ অনুমোদিত আরএফআইডি (RFID) ট্যাগটি একবার যাচাই করে নিতে হবে।

এই ডিজিটাল সেবা চালুর ফলে পদ্মাসেতুর টোল প্লাজায় আর নগদ টাকার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। যাত্রীরা নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ করে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ETC) লেন ব্যবহার করে দ্রুত সেতু পার হতে পারবেন। এতে করে টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও যানজটের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি সময়ও সাশ্রয় হবে। আধুনিক এই প্রযুক্তিগত সুবিধা যাতায়াতকে আরও দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং নিরাপদ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সেবা সংক্রান্ত যেকোনো অতিরিক্ত তথ্যের জন্য গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনুসরণ করতে পারেন।