ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীতে মুফতি আলী হাসান উসামা: দ্বীন প্রতিষ্ঠার নতুন স্বপ্ন

শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা গত ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে তিনি খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। জামায়াতে যোগদানের পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য এবং সংগঠনটির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন।

মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান লক্ষ্য হলো আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্য অর্জনে জামায়াতে ইসলামীও ব্যতিক্রম নয়। তাদের মূল স্লোগানই হলো— ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’। তিনি আরও যোগ করেন, বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে রাতারাতি আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব না হলেও, সংস্কারের বীজ বপন করলে একদিন তা মহীরুহে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

সংগঠনটির বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে এই তরুণ ইসলামি চিন্তাবিদ জানান, অন্যান্য ইসলামি দলের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর পার্থক্য অনেকটা কূপের সঙ্গে সমুদ্রের পার্থক্যের মতো। এখানে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ রয়েছে। ব্যক্তিতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র বা অভিজাততন্ত্রের কোনো স্থান নেই। বরং এখানে একটি অত্যন্ত সুদৃঢ় সাংগঠনিক কাঠামো বিদ্যমান। কর্মীদের পারস্পরিক হৃদ্যতা ও ভালোবাসা একটি সীসাঢালা প্রাচীরের মতো। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, কামড়াকামড়ি বা পারস্পরিক গালাগালির মতো কোনো প্রবণতা নেই। প্রত্যেকেই শাহাদাতের স্বপ্ন নিয়ে দ্বীন বিজয়ের আদর্শে প্রশিক্ষিত ও নিবেদিত।

দীর্ঘদিন বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মুফতি উসামা বলেন, বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে জামায়াতে ইসলামীই সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নাম। তিনি বিশ্বাস করেন, আল্লাহ তাকে যে জ্ঞান, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়েছেন, তা এই সংগঠনে কাজে লাগাতে পারলে ইকামতে দ্বীনের কাজ আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে, কোথাও কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধনেরও সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই সংগঠনে এত বৃহৎ পরিসরে কাজের সুযোগ রয়েছে যে, একজন মানুষ তার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করলেও এক জীবনে তা শেষ হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

জামায়াতে ইসলামীতে মুফতি আলী হাসান উসামা: দ্বীন প্রতিষ্ঠার নতুন স্বপ্ন

আপডেট সময় : ১১:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা গত ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে তিনি খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উলামা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। জামায়াতে যোগদানের পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য এবং সংগঠনটির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন।

মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান লক্ষ্য হলো আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্য অর্জনে জামায়াতে ইসলামীও ব্যতিক্রম নয়। তাদের মূল স্লোগানই হলো— ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’। তিনি আরও যোগ করেন, বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে রাতারাতি আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব না হলেও, সংস্কারের বীজ বপন করলে একদিন তা মহীরুহে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

সংগঠনটির বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে এই তরুণ ইসলামি চিন্তাবিদ জানান, অন্যান্য ইসলামি দলের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর পার্থক্য অনেকটা কূপের সঙ্গে সমুদ্রের পার্থক্যের মতো। এখানে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ রয়েছে। ব্যক্তিতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র বা অভিজাততন্ত্রের কোনো স্থান নেই। বরং এখানে একটি অত্যন্ত সুদৃঢ় সাংগঠনিক কাঠামো বিদ্যমান। কর্মীদের পারস্পরিক হৃদ্যতা ও ভালোবাসা একটি সীসাঢালা প্রাচীরের মতো। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, কামড়াকামড়ি বা পারস্পরিক গালাগালির মতো কোনো প্রবণতা নেই। প্রত্যেকেই শাহাদাতের স্বপ্ন নিয়ে দ্বীন বিজয়ের আদর্শে প্রশিক্ষিত ও নিবেদিত।

দীর্ঘদিন বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মুফতি উসামা বলেন, বাংলাদেশের ইসলামি রাজনীতির অঙ্গনে জামায়াতে ইসলামীই সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নাম। তিনি বিশ্বাস করেন, আল্লাহ তাকে যে জ্ঞান, যোগ্যতা ও প্রতিভা দিয়েছেন, তা এই সংগঠনে কাজে লাগাতে পারলে ইকামতে দ্বীনের কাজ আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে, কোথাও কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধনেরও সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই সংগঠনে এত বৃহৎ পরিসরে কাজের সুযোগ রয়েছে যে, একজন মানুষ তার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করলেও এক জীবনে তা শেষ হবে না।