ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বলেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন, যা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি জানান, এই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্থায়ী রূপ দিতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই সনদ কার্যকর করার জন্য জনগণের সম্মতি অপরিহার্য, আর সেই লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের অর্থ হলো বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়া। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধীদলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, যা রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনবে।

তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে বিচার বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং কোনো ব্যক্তি দশ বছরের বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন না — এমন বিধানও কার্যকর হবে।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস দেশের আপামর জনগণকে নিজে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে এবং একই সাথে অন্যদেরকেও এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিনীত আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আসন্ন গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বলেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন, যা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি জানান, এই ঐতিহাসিক অর্জনকে স্থায়ী রূপ দিতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই সনদ কার্যকর করার জন্য জনগণের সম্মতি অপরিহার্য, আর সেই লক্ষ্যেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের অর্থ হলো বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনের পথে এগিয়ে যাওয়া। এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধীদলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, যা রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনবে।

তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে বাধ্যতামূলক করা হবে। এতে বিচার বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং কোনো ব্যক্তি দশ বছরের বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন না — এমন বিধানও কার্যকর হবে।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস দেশের আপামর জনগণকে নিজে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে এবং একই সাথে অন্যদেরকেও এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিনীত আহ্বান জানান।