ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার মাধ্যমেই রাজনৈতিক বিজয় সম্ভব

রাজনৈতিক ময়দানে সফলতা অর্জনের জন্য সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা অপরিহার্য। এই মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট একজন সম্পাদক, যিনি একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরেন।

সোমবার বিকেলে বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সভাগৃহে অনুষ্ঠিত একটি সৃজনশীল প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন উপদেষ্টা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে সম্পাদক বলেন, রাজনৈতিক বিজয় নিছক ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের লড়াই। সাম্প্রতিক সময়ে সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে আমরা এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছি, যা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতে কিছু শাসকগোষ্ঠী বিজাতীয় সংস্কৃতি চাপিয়ে দিয়ে একটি জাতিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা করেছিল, কিন্তু তরুণ প্রজন্ম তা সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিহত করেছে।

তিনি আরও বলেন, এই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাস চেতনা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, সংস্কৃতিমনা ও আত্মবিশ্বাসী জাতি গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই উদ্যোগগুলোই দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে সৃজনশীলতার গুরুত্ব এবং জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষায় তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা একটি সুস্থ সমাজ গঠনের পূর্বশর্ত।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কৃতিত্বের প্রশংসা করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার মাধ্যমেই রাজনৈতিক বিজয় সম্ভব

আপডেট সময় : ১১:২০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

রাজনৈতিক ময়দানে সফলতা অর্জনের জন্য সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা অপরিহার্য। এই মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট একজন সম্পাদক, যিনি একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরেন।

সোমবার বিকেলে বাংলা একাডেমির সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সভাগৃহে অনুষ্ঠিত একটি সৃজনশীল প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন উপদেষ্টা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে সম্পাদক বলেন, রাজনৈতিক বিজয় নিছক ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের লড়াই। সাম্প্রতিক সময়ে সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে আমরা এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছি, যা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতে কিছু শাসকগোষ্ঠী বিজাতীয় সংস্কৃতি চাপিয়ে দিয়ে একটি জাতিকে দুর্বল করার অপচেষ্টা করেছিল, কিন্তু তরুণ প্রজন্ম তা সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিহত করেছে।

তিনি আরও বলেন, এই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাস চেতনা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, সংস্কৃতিমনা ও আত্মবিশ্বাসী জাতি গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই উদ্যোগগুলোই দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে সৃজনশীলতার গুরুত্ব এবং জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষায় তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা একটি সুস্থ সমাজ গঠনের পূর্বশর্ত।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কৃতিত্বের প্রশংসা করা হয়।