ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

পরাজিত আধিপত্যবাদী শক্তির ফাঁদ মোকাবিলায় সাংস্কৃতিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরলেন ফারুকী

সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরাজিত আধিপত্যবাদী শক্তির সম্ভাব্য ফাঁদ থেকে দেশকে রক্ষা করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যখন কোনো জাতি আধিপত্যবাদী সংস্কৃতি ও রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, তখন পরাজিত শক্তিরা নানাভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, যা সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। সোমবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে একটি সৃজনশীল রচনা, ছোটগল্প ও কবিতা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

ফারুকী বলেন, “যখন একটা আধিপত্যবাদী সংস্কৃতি ও রাজনীতি থেকে বের হতে চাইবেন, পরাজিত আধিপত্যবাদী রাজনীতির সঙ্গে যারা জড়িত ছিল তারা কখনো ভালোভাবে নিবে না। তারা আপনাকে নানান রকমভাবে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করবে। সেই ফাঁদটা সম্পর্কে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” তিনি ‘জুলাই বিপ্লবের’ পর মন্দির রক্ষায় যে সচেতনতা কাজ করেছে, তা আগামী দশ বছর ধরে অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সংস্কৃতিকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও, এটি জীবন ও মৃত্যুর নির্ধারক শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সংস্কৃতিই নির্ধারণ করে দেয় কিভাবে মানুষ মারা যাবে এবং আরমানরা কতদিন গুম থাকবে।” তিনি গত ৭০-৮০ বছর ধরে সিনেমা, সাহিত্য, নাটক ও গানের মাধ্যমে ‘হাই কালচার’ ও ‘লো কালচারের’ একটি কৃত্রিম ধারণা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করেন। এই ধারণার মাধ্যমে ইতিহাস লুট করা হয় অভিযোগ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, বিএনপি ও জামায়াত কিংবা কোনো ইসলামিক রাজনৈতিক দল ‘হাই কালচার’ নয়। এই ধরনের ‘কালচার’ ঘৃণার রাজনীতি তৈরি করে মধ্যবিত্তের মনকে নিয়ন্ত্রণ করে। শাহবাগ প্রসঙ্গে এই উপদেষ্টা বলেন, “আমি শাহবাগে এসে দেখলাম যে এখানে পূজা নিয়ে কথা বলা যাবে, বড়দিন নিয়েও কথা বলা যাবে, বৌদ্ধ পূর্ণিমা নিয়েও বলা যাবে -কিন্তু আপনি যদি ঈদ ও শবে বরাত -অর্থাৎ ইসলাম ধর্মের কিছু নিয়ে কোনো কথা বলেন, তাহলে আপনি খ্যাত। ‘ইউ আর নট কালচারড এনাফ’।”

অনুষ্ঠানে সভাপতি ও বিশিষ্ট সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে জিততে হলে আগে সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে জয়ী হতে হবে। সাংস্কৃতিক ন্যারেটিভে পরাজিত হলে রাজনৈতিক লড়াইয়ে জয়লাভ কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে একই অবস্থা দেখা গেছে, তবে ‘মহান জুলাই বিপ্লবের’ মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম এই সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তারা ভারতীয় আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বিজাতীয় সংস্কৃতি তরুণদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, স্মার্ট তরুণ প্রজন্ম তা প্রত্যাখ্যান করে প্রকৃত সংস্কৃতিকে চিনতে পেরেছে এবং একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দেবে বলে তিনি আশাবাদী।

তিনি শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে বলেন, তিনি সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের গুরুত্ব বুঝতেন বলেই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাস ও সাহিত্য চর্চার দিকে ঠেলে দিয়ে একটি ইতিহাস সচেতন জাতি গড়ে তোলাই তাদের উদ্দেশ্য। মাহমুদুর রহমান সতর্ক করে বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে’ পরাজিত সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী সহজে পরাজয় মেনে নেবে না এবং হারানো সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। বিজয় ধরে রাখতে সাহিত্য, সংগীত, বই পড়া ও লেখার মতো সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

নির্বাহী সম্পাদক আবদাল আহমদ বলেন, প্রকৃত ইতিহাস ও ঐতিহ্য জানতে হলে বাংলাদেশের সপক্ষের শক্তির, আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের এবং ‘জুলাই শহীদদের’ বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা সমৃদ্ধ বই পড়তে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে পাঠক ফোরামের সভাপতি সাজ্জাদ ইউনুস শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাত কবুলের জন্য দোয়া করেন এবং দ্রুত তার হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে আগ্রাসন, হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল সে আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই। পাঠক ফোরামের মূল কাজ হলো এই লড়াইয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা এবং সাংস্কৃতিকসহ সকল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

তামান্না মিনহাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম অপু। এসময় ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সহযোগী সম্পাদক আলফাজ আনাম, সাহিত্য সম্পাদক মুহিম মাহফুজ ও পাঠক ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন সৈয়দ সুরাইয়া, দ্বিতীয় ইফতেখারুল হক মামুন এবং তৃতীয় নাবিল আহমেদ নিশাত। অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন হুসাইন রিহান, জান্নাতুল নাঈম বুশরা, আরিফুল ইসলাম, তানভীর হোসেন সিহান, নাফিউল ইসলাম নাহিদ, আমিরুল ইসলাম এবং আরিফুজ্জামান সোহাগ।

ছোটগল্প প্রতিযোগিতায় প্রথম চন্দ্রিকা বড়ুয়া টিনা, দ্বিতীয় আমানুর রহমান এবং তৃতীয় কানিজ ফাতেমা নূরী। অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন জুনায়েদ সিদ্দিক, অপূর্ব প্রসাদ পাল, মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ, সায়মা সুইটি, মীর তারেক, নিবিড় আহমেদ গল্প ও সিনথিয়া আফরিন তমা।

প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় প্রথম জাহিদ হাসান নয়ন, দ্বিতীয় মোফাজ্জল হোসেন এবং তৃতীয় সাদিক জাফরুল্লাহ নাবিল। অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন মুজাহিদ ইসলাম, আব্দুল আলিম, এম সাব্বির আহমেদ, উসমান গনী, সৈকত মল্লিক, ওমর ফারুক ও শাহরিয়ার রহমান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

পরাজিত আধিপত্যবাদী শক্তির ফাঁদ মোকাবিলায় সাংস্কৃতিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরলেন ফারুকী

আপডেট সময় : ১১:১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরাজিত আধিপত্যবাদী শক্তির সম্ভাব্য ফাঁদ থেকে দেশকে রক্ষা করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যখন কোনো জাতি আধিপত্যবাদী সংস্কৃতি ও রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, তখন পরাজিত শক্তিরা নানাভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, যা সম্পর্কে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। সোমবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে একটি সৃজনশীল রচনা, ছোটগল্প ও কবিতা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

ফারুকী বলেন, “যখন একটা আধিপত্যবাদী সংস্কৃতি ও রাজনীতি থেকে বের হতে চাইবেন, পরাজিত আধিপত্যবাদী রাজনীতির সঙ্গে যারা জড়িত ছিল তারা কখনো ভালোভাবে নিবে না। তারা আপনাকে নানান রকমভাবে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করবে। সেই ফাঁদটা সম্পর্কে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” তিনি ‘জুলাই বিপ্লবের’ পর মন্দির রক্ষায় যে সচেতনতা কাজ করেছে, তা আগামী দশ বছর ধরে অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

সংস্কৃতিকে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও, এটি জীবন ও মৃত্যুর নির্ধারক শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সংস্কৃতিই নির্ধারণ করে দেয় কিভাবে মানুষ মারা যাবে এবং আরমানরা কতদিন গুম থাকবে।” তিনি গত ৭০-৮০ বছর ধরে সিনেমা, সাহিত্য, নাটক ও গানের মাধ্যমে ‘হাই কালচার’ ও ‘লো কালচারের’ একটি কৃত্রিম ধারণা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করেন। এই ধারণার মাধ্যমে ইতিহাস লুট করা হয় অভিযোগ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, বিএনপি ও জামায়াত কিংবা কোনো ইসলামিক রাজনৈতিক দল ‘হাই কালচার’ নয়। এই ধরনের ‘কালচার’ ঘৃণার রাজনীতি তৈরি করে মধ্যবিত্তের মনকে নিয়ন্ত্রণ করে। শাহবাগ প্রসঙ্গে এই উপদেষ্টা বলেন, “আমি শাহবাগে এসে দেখলাম যে এখানে পূজা নিয়ে কথা বলা যাবে, বড়দিন নিয়েও কথা বলা যাবে, বৌদ্ধ পূর্ণিমা নিয়েও বলা যাবে -কিন্তু আপনি যদি ঈদ ও শবে বরাত -অর্থাৎ ইসলাম ধর্মের কিছু নিয়ে কোনো কথা বলেন, তাহলে আপনি খ্যাত। ‘ইউ আর নট কালচারড এনাফ’।”

অনুষ্ঠানে সভাপতি ও বিশিষ্ট সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে জিততে হলে আগে সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে জয়ী হতে হবে। সাংস্কৃতিক ন্যারেটিভে পরাজিত হলে রাজনৈতিক লড়াইয়ে জয়লাভ কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে একই অবস্থা দেখা গেছে, তবে ‘মহান জুলাই বিপ্লবের’ মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম এই সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তারা ভারতীয় আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে বিজাতীয় সংস্কৃতি তরুণদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, স্মার্ট তরুণ প্রজন্ম তা প্রত্যাখ্যান করে প্রকৃত সংস্কৃতিকে চিনতে পেরেছে এবং একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দেবে বলে তিনি আশাবাদী।

তিনি শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে বলেন, তিনি সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের গুরুত্ব বুঝতেন বলেই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তরুণ প্রজন্মকে ইতিহাস ও সাহিত্য চর্চার দিকে ঠেলে দিয়ে একটি ইতিহাস সচেতন জাতি গড়ে তোলাই তাদের উদ্দেশ্য। মাহমুদুর রহমান সতর্ক করে বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে’ পরাজিত সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী সহজে পরাজয় মেনে নেবে না এবং হারানো সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। বিজয় ধরে রাখতে সাহিত্য, সংগীত, বই পড়া ও লেখার মতো সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

নির্বাহী সম্পাদক আবদাল আহমদ বলেন, প্রকৃত ইতিহাস ও ঐতিহ্য জানতে হলে বাংলাদেশের সপক্ষের শক্তির, আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের এবং ‘জুলাই শহীদদের’ বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা সমৃদ্ধ বই পড়তে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে পাঠক ফোরামের সভাপতি সাজ্জাদ ইউনুস শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির শাহাদাত কবুলের জন্য দোয়া করেন এবং দ্রুত তার হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে আগ্রাসন, হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল সে আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই। পাঠক ফোরামের মূল কাজ হলো এই লড়াইয়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা এবং সাংস্কৃতিকসহ সকল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

তামান্না মিনহাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম অপু। এসময় ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী, সহযোগী সম্পাদক আলফাজ আনাম, সাহিত্য সম্পাদক মুহিম মাহফুজ ও পাঠক ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কবিতা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন সৈয়দ সুরাইয়া, দ্বিতীয় ইফতেখারুল হক মামুন এবং তৃতীয় নাবিল আহমেদ নিশাত। অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন হুসাইন রিহান, জান্নাতুল নাঈম বুশরা, আরিফুল ইসলাম, তানভীর হোসেন সিহান, নাফিউল ইসলাম নাহিদ, আমিরুল ইসলাম এবং আরিফুজ্জামান সোহাগ।

ছোটগল্প প্রতিযোগিতায় প্রথম চন্দ্রিকা বড়ুয়া টিনা, দ্বিতীয় আমানুর রহমান এবং তৃতীয় কানিজ ফাতেমা নূরী। অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন জুনায়েদ সিদ্দিক, অপূর্ব প্রসাদ পাল, মোঃ খালেদ সাইফুল্লাহ, সায়মা সুইটি, মীর তারেক, নিবিড় আহমেদ গল্প ও সিনথিয়া আফরিন তমা।

প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় প্রথম জাহিদ হাসান নয়ন, দ্বিতীয় মোফাজ্জল হোসেন এবং তৃতীয় সাদিক জাফরুল্লাহ নাবিল। অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন মুজাহিদ ইসলাম, আব্দুল আলিম, এম সাব্বির আহমেদ, উসমান গনী, সৈকত মল্লিক, ওমর ফারুক ও শাহরিয়ার রহমান।