ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ঠিকানা জটিলতায় ইতালি ও মালয়েশিয়া থেকে ফেরত এলো ৫৬০০ পোস্টাল ব্যালট: গচ্চা ৩৯ লাখ টাকা

নিবন্ধিত ঠিকানায় ভুল ও অসংগতি থাকায় ইতালি ও মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার ৬০০টি পোস্টাল ব্যালট নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ফেরত এসেছে। প্রবাসীদের দেওয়া তথ্যে বিভ্রাট ও ভুয়া ঠিকানার কারণে এই বিপুল সংখ্যক ব্যালট বিলি করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা অপচয় হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা কার্যক্রমের জন্য নিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফেরত আসা ব্যালটগুলোর মধ্যে ৪ হাজারটি মালয়েশিয়া থেকে এবং ১ হাজার ৬০০টি ইতালি থেকে ফিরে এসেছে। প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে এই ব্যালটগুলো পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। প্রতিটি পোস্টাল ব্যালট প্রস্তত ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ৭০০ টাকা। সেই হিসেবে ৫ হাজার ৬০০ ব্যালট অব্যবহৃত থেকে যাওয়ায় বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে রাষ্ট্র।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ বলেন, “প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় এসব ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে পোস্টাল ব্যালটে জালিয়াতি বা একজনের ভোট অন্য কারো দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

তিনি আরও জানান, ফেইস ডিটেকশন প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে পোস্টাল ব্যালটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রযুক্তিনির্ভর এই পদ্ধতিতে একজনের ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য, এবারের পোস্টাল ব্যালটে ৩৯টি নির্বাচনী প্রতীক রয়েছে যা নির্দিষ্ট ভাঁজের মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করলেও ঠিকানা বিভ্রাটের কারণে বড় একটি অংশ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

ঠিকানা জটিলতায় ইতালি ও মালয়েশিয়া থেকে ফেরত এলো ৫৬০০ পোস্টাল ব্যালট: গচ্চা ৩৯ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০২:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

নিবন্ধিত ঠিকানায় ভুল ও অসংগতি থাকায় ইতালি ও মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার ৬০০টি পোস্টাল ব্যালট নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ফেরত এসেছে। প্রবাসীদের দেওয়া তথ্যে বিভ্রাট ও ভুয়া ঠিকানার কারণে এই বিপুল সংখ্যক ব্যালট বিলি করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা অপচয় হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা কার্যক্রমের জন্য নিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফেরত আসা ব্যালটগুলোর মধ্যে ৪ হাজারটি মালয়েশিয়া থেকে এবং ১ হাজার ৬০০টি ইতালি থেকে ফিরে এসেছে। প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে এই ব্যালটগুলো পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। প্রতিটি পোস্টাল ব্যালট প্রস্তত ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ৭০০ টাকা। সেই হিসেবে ৫ হাজার ৬০০ ব্যালট অব্যবহৃত থেকে যাওয়ায় বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে রাষ্ট্র।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ বলেন, “প্রবাসীদের সঠিক ঠিকানা না পাওয়ায় এসব ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে পোস্টাল ব্যালটে জালিয়াতি বা একজনের ভোট অন্য কারো দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

তিনি আরও জানান, ফেইস ডিটেকশন প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে পোস্টাল ব্যালটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রযুক্তিনির্ভর এই পদ্ধতিতে একজনের ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য, এবারের পোস্টাল ব্যালটে ৩৯টি নির্বাচনী প্রতীক রয়েছে যা নির্দিষ্ট ভাঁজের মধ্যে রাখা হয়েছে। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করলেও ঠিকানা বিভ্রাটের কারণে বড় একটি অংশ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলেন।