আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সোমবার সকালে নির্বাচনের এই দ্বিতীয় রোডম্যাপ বা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে শুরু হবে মূল নির্বাচনি লড়াই।
ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। একই দিনে অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রের গেজেটও প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৮ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিশেষ সভা আহ্বান করেছে কমিশন। এছাড়া ১ ফেব্রুয়ারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
নির্বাচনি সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জেলা সদরে পাঠানো হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সোমবার বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এর আগে গত রোববার ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল। তবে সেই আলোচনায় সন্তোষজনক সমাধান না আসায় আজ পুনরায় ঘেরাও কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটি।
রিপোর্টারের নাম 















