ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

উত্তরায় মারধরের শিকার অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মৃত্যু, চলছে তদন্ত

রাজধানীর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে বডিগার্ডের চাকরির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাহবুব আলম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দিবাগত রাতে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পুলিশ আসামিদের ধরতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে এবং থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মাহবুব আলম ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার সন্ধ্যায়। এসআই কামরুল বলেন, মাহবুব আলম উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডে বডিগার্ড হিসেবে চাকরির জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে একটি প্যারাডো ও একটি নিশান প্রাইভেট কার এসে থামে। প্যারাডো গাড়ি থেকে একজন ব্যক্তি নেমে এসে অতর্কিতভাবে মাহবুব আলমের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। তাৎক্ষণিকভাবে আরও পাঁচ-ছয়জন ব্যক্তি সেখানে জড়ো হয় এবং তারা সবাই মিলে মাহবুব আলমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় মাহবুব আলমকে উদ্ধার করে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার রাতে তিনি মারা যান। নিহতের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম মৃত রেজাউল ইসলাম। তিনি উত্তরার পূর্ব থানা এলাকায় বসবাস করতেন এবং সেখানেই চাকরি করতেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

উত্তরায় মারধরের শিকার অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মৃত্যু, চলছে তদন্ত

আপডেট সময় : ১২:০৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে বডিগার্ডের চাকরির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাহবুব আলম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দিবাগত রাতে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পুলিশ আসামিদের ধরতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে এবং থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মাহবুব আলম ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য এবং উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার সন্ধ্যায়। এসআই কামরুল বলেন, মাহবুব আলম উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডে বডিগার্ড হিসেবে চাকরির জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে একটি প্যারাডো ও একটি নিশান প্রাইভেট কার এসে থামে। প্যারাডো গাড়ি থেকে একজন ব্যক্তি নেমে এসে অতর্কিতভাবে মাহবুব আলমের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। তাৎক্ষণিকভাবে আরও পাঁচ-ছয়জন ব্যক্তি সেখানে জড়ো হয় এবং তারা সবাই মিলে মাহবুব আলমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় মাহবুব আলমকে উদ্ধার করে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার রাতে তিনি মারা যান। নিহতের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম মৃত রেজাউল ইসলাম। তিনি উত্তরার পূর্ব থানা এলাকায় বসবাস করতেন এবং সেখানেই চাকরি করতেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।