আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ২৪ জন। আপিল শুনানির পর তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিভিন্ন অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বাতিল হওয়া এসব প্রার্থীর আবেদন পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত [একটি সম্ভাব্য তারিখ, যেমন: ৭ ডিসেম্বর] থেকে [আরেকটি সম্ভাব্য তারিখ, যেমন: ৯ ডিসেম্বর] পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট [একটি সম্ভাব্য সংখ্যা, যেমন: ২১২টি] আপিল আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে শুনানির পর ২৪ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল রাখা হয়, যা তাদের নির্বাচনী লড়াইয়ে ফিরে আসার পথ সুগম করেছে। অবশিষ্ট আবেদনগুলোর মধ্যে কিছু বাতিল হয়েছে এবং কিছু এখনও বিচারাধীন রয়েছে।
সাধারণত, ঋণ খেলাপি, হলফনামায় ভুল তথ্য, বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিল বকেয়া, প্রস্তাবক-সমর্থকের স্বাক্ষর ত্রুটি এবং ফৌজদারি মামলার তথ্য গোপনের মতো বিভিন্ন কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তারা অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে থাকেন। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পান। কমিশন আপিলকারীদের বক্তব্য, রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করে।
কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে বৈধতা পাওয়া ২৪ জন প্রার্থী এখন আর কোনো বাধা ছাড়াই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। তাদের সমর্থকরাও এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে অনেক প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হয়।
রিপোর্টারের নাম 















