ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

তিস্তা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। রোববার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আগ্রহের কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের অটুট বন্ধুত্ব এবং উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল’ সংক্রান্ত বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেন।

দুই দেশের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে উভয় পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালের শান্তি নোবেলের দৌড়ে ২৮৭ প্রার্থী, আলোচনায় ট্রাম্পের নাম

তিস্তা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

আপডেট সময় : ১১:১১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। রোববার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আগ্রহের কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের অটুট বন্ধুত্ব এবং উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল’ সংক্রান্ত বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেন।

দুই দেশের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে উভয় পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে।