ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির পূর্বাভাস: জাঁকিয়ে বসছে শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা

বাংলাদেশজুড়ে আবারও জাঁকিয়ে বসতে পারে শীত। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা গেলেও, আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এর মাত্রা ও বিস্তার বৃদ্ধি পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি থাকলেও রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যাবে। রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং দেশের মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসার পূর্বাভাস রয়েছে। দেশের সর্ব উত্তরের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামারও সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয় সংলগ্ন ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা শীতল বায়ুপ্রবাহ এবং একইসাথে উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে এই শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে। এই পরিস্থিতি আগামী অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। শীতের এই নতুন ঢেউয়ের কারণে জনজীবন, বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ এবং শিশুদের জন্য কষ্টকর হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জনসাধারণকে এই সময়ে পর্যাপ্ত উষ্ণ বস্ত্র পরিধান করতে এবং বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। একইসাথে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় চালকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামরাঙ্গীরচরে কারখানায় কাজ করার সময় শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির পূর্বাভাস: জাঁকিয়ে বসছে শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:১৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশজুড়ে আবারও জাঁকিয়ে বসতে পারে শীত। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হওয়ার পাশাপাশি কিছু এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা গেলেও, আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এর মাত্রা ও বিস্তার বৃদ্ধি পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি থাকলেও রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যাবে। রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং দেশের মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসার পূর্বাভাস রয়েছে। দেশের সর্ব উত্তরের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামারও সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয় সংলগ্ন ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা শীতল বায়ুপ্রবাহ এবং একইসাথে উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে এই শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে। এই পরিস্থিতি আগামী অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। শীতের এই নতুন ঢেউয়ের কারণে জনজীবন, বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ এবং শিশুদের জন্য কষ্টকর হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জনসাধারণকে এই সময়ে পর্যাপ্ত উষ্ণ বস্ত্র পরিধান করতে এবং বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। একইসাথে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় চালকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।