ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীতে পৃথক চার এলাকা থেকে ৪ নারীর মরদেহ উদ্ধার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বাড্ডা, মিরপুর, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে পৃথক ঘটনায় চার নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত থেকে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাগুলোকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকায় আশা আক্তার (২৯) নামের এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। নিহতের ভাই আব্দুল্লাহ আকাশের ভাষ্যমতে, একটি বিউটি পার্লারে কর্মরত আশার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছিল এবং ওই সংসারে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে অন্য এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হওয়ায় শুক্রবার রাতে তিনি নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা আশা ওই এলাকায় বসবাস করতেন।

এদিকে, ডেমরার পূর্ববক্সনগর এলাকার একটি বাসা থেকে কোহিনূর (৩৬) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত কোহিনূরের গ্রামের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলায়।

অন্যদিকে, মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় সানজিদা ইসলাম মিম (১৯) নামের এক তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তিনি এই ঘটনা ঘটান। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া বাড্ডার আফতাবনগর বাঘাপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সুবর্ণা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, সুবর্ণা ওই বাসায় তার স্বামীর সঙ্গে থাকতেন। দাম্পত্য কলহের জেরে শুক্রবার রাতে তিনি গলায় ফাঁস দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সুবর্ণার গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলায়।

সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জামায়াতের কঠোর হুঁশিয়ারি: দিনাজপুরে বিশাল গণমিছিল

রাজধানীতে পৃথক চার এলাকা থেকে ৪ নারীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর বাড্ডা, মিরপুর, ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে পৃথক ঘটনায় চার নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত থেকে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাগুলোকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকায় আশা আক্তার (২৯) নামের এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। নিহতের ভাই আব্দুল্লাহ আকাশের ভাষ্যমতে, একটি বিউটি পার্লারে কর্মরত আশার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছিল এবং ওই সংসারে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে অন্য এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হওয়ায় শুক্রবার রাতে তিনি নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার বাসিন্দা আশা ওই এলাকায় বসবাস করতেন।

এদিকে, ডেমরার পূর্ববক্সনগর এলাকার একটি বাসা থেকে কোহিনূর (৩৬) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত কোহিনূরের গ্রামের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলায়।

অন্যদিকে, মিরপুর ১০ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় সানজিদা ইসলাম মিম (১৯) নামের এক তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তিনি এই ঘটনা ঘটান। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া বাড্ডার আফতাবনগর বাঘাপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সুবর্ণা খাতুন (৩০) নামে এক গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ। পুলিশ জানায়, সুবর্ণা ওই বাসায় তার স্বামীর সঙ্গে থাকতেন। দাম্পত্য কলহের জেরে শুক্রবার রাতে তিনি গলায় ফাঁস দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সুবর্ণার গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলায়।

সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।