ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

আজ পবিত্র শবে মেরাজ: মহানবীর অলৌকিক ঊর্ধ্বযাত্রা ও নামাজের বিধান প্রবর্তন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

আজ শুক্রবার সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) অলৌকিকভাবে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং মানবজাতির জন্য হেদায়েতের বার্তা নিয়ে আসেন।

ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে আল্লাহর নির্দেশে মহানবী (সা.) বোরাকে চড়ে প্রথমে মক্কার কাবা শরীফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদে যান। সেখান থেকে তিনি সপ্তাকাশ ভেদ করে সিদরাতুল মুনতাহা হয়ে আরশে আজিমে পৌঁছান। এই মহিমান্বিত রজনীতেই উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়, যা মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ইবাদত।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই রাতে নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার এবং বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বরকত কামনা করেন। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এই রাত মুসলিম উম্মাহর কাছে মহান আল্লাহর এক বিশেষ অনুগ্রহ ও মহিমান্বিত নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকির মুখেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রীর বার্তা জার্মান চ্যান্সেলরের

আজ পবিত্র শবে মেরাজ: মহানবীর অলৌকিক ঊর্ধ্বযাত্রা ও নামাজের বিধান প্রবর্তন

আপডেট সময় : ১১:৫১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

আজ শুক্রবার সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ বা শবে মেরাজ। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই রাতে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.) অলৌকিকভাবে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং মানবজাতির জন্য হেদায়েতের বার্তা নিয়ে আসেন।

ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে আল্লাহর নির্দেশে মহানবী (সা.) বোরাকে চড়ে প্রথমে মক্কার কাবা শরীফ থেকে জেরুজালেমের বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদে যান। সেখান থেকে তিনি সপ্তাকাশ ভেদ করে সিদরাতুল মুনতাহা হয়ে আরশে আজিমে পৌঁছান। এই মহিমান্বিত রজনীতেই উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়, যা মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ইবাদত।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই রাতে নফল নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার এবং বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বরকত কামনা করেন। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এই রাত মুসলিম উম্মাহর কাছে মহান আল্লাহর এক বিশেষ অনুগ্রহ ও মহিমান্বিত নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।