পোশাকশ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির আড়ালে একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশের বাইরে, বিশেষ করে সীমান্তের ওপার থেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁতারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের কাটাখালী এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দানকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্প ও ব্যবসার প্রসার ঘটিয়ে দেশের মানুষকে ভালো রাখতে বর্তমান সরকার দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা লক্ষ্য করেছেন, বিগত কদিন ধরে ঢাকার কয়েকটি স্থানে কিছু লোক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। শ্রমিক ভাই-বোনদের মজুরি সংক্রান্ত যে দাবিগুলো ছিল, তা বিবেচনার জন্য সরকার ইতিমধ্যেই একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে দিয়েছে।’
তিনি জানান, গঠিত নতুন মজুরি বোর্ড কাজ শুরু করেছে এবং আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করবে, যাতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে পারে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘যাদের বিগত ১৫-১৬ বছরে দেশের কিংবা সাধারণ মানুষের পরিবর্তনের সদিচ্ছা ছিল না; যারা মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করে অর্থনৈতিক সম্পদ বিদেশে পাচার করেছিল এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, তারাই আজ সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নাড়ছে।’
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের গোড়াপত্তন করেছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, কলকারখানা দেশের সম্পদ। যদি কোনো উসকানিতে এই শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে শ্রমজীবী মানুষ ও তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎই সবচেয়ে বেশি বিপন্ন হবে।

























