মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:২৪ পূর্বাহ্ন | ৬ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ২১শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

মাশরুম চাষে বেকারত্ব জয়: কুষ্টিয়ায় সাইফুল গড়ছেন সমন্বিত শিল্প

  • হালনাগাদ সময় : ০১:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুষ্টিয়ার তরুণ উদ্যোক্তা মো. সাইফুল ইসলাম। মাশরুম চাষকে কেন্দ্র করে জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

কুষ্টিয়া শহরতলির জগতি-বাড়াদী সেতুর পাশে গড়ে তোলা সাইফুলের ‘এসএম মাশরুম সেন্টার’-এ কেবল মাশরুম উৎপাদনই হচ্ছে না, সেখানে বীজ তৈরি, কাঁচামাল প্রস্তুত, মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণা এবং উদ্যোক্তা তৈরির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

সাইফুল জানান, ২০০৮ সালে চাকরির সুবাদে মাশরুমের প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়, যা ২০১৮ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায় রূপ নেয়। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তিনি নিজস্ব পরীক্ষাগার ও উৎপাদন লাইন গড়ে তুলেছেন। তার লক্ষ্য দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে বিদেশে মাশরুম রপ্তানি করা।

বর্তমানে তার দুই বিঘা জমির প্রকল্পে ওয়েস্টার, মিল্কি, ঋষি ও হিরিঞ্জি জাতের মাশরুম চাষ হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মাশরুম সংগৃহীত হচ্ছে, যা প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস ও সাভার মাশরুম গবেষণা কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তার মাধ্যমে তিনি এই প্রকল্প পরিচালনা করছেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৯ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

05 November 2026

নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটলে সার ডিলার নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

মাশরুম চাষে বেকারত্ব জয়: কুষ্টিয়ায় সাইফুল গড়ছেন সমন্বিত শিল্প

হালনাগাদ সময় : ০১:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি অন্যদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুষ্টিয়ার তরুণ উদ্যোক্তা মো. সাইফুল ইসলাম। মাশরুম চাষকে কেন্দ্র করে জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

কুষ্টিয়া শহরতলির জগতি-বাড়াদী সেতুর পাশে গড়ে তোলা সাইফুলের ‘এসএম মাশরুম সেন্টার’-এ কেবল মাশরুম উৎপাদনই হচ্ছে না, সেখানে বীজ তৈরি, কাঁচামাল প্রস্তুত, মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণা এবং উদ্যোক্তা তৈরির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

সাইফুল জানান, ২০০৮ সালে চাকরির সুবাদে মাশরুমের প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়, যা ২০১৮ সালে পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায় রূপ নেয়। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তিনি নিজস্ব পরীক্ষাগার ও উৎপাদন লাইন গড়ে তুলেছেন। তার লক্ষ্য দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে বিদেশে মাশরুম রপ্তানি করা।

বর্তমানে তার দুই বিঘা জমির প্রকল্পে ওয়েস্টার, মিল্কি, ঋষি ও হিরিঞ্জি জাতের মাশরুম চাষ হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মাশরুম সংগৃহীত হচ্ছে, যা প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস ও সাভার মাশরুম গবেষণা কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তার মাধ্যমে তিনি এই প্রকল্প পরিচালনা করছেন।

Share this news as a Photo Card