মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পরিদর্শনে গিয়ে নির্ধারিত সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে (ইউএইচএফপিও) কর্মস্থলে পাননি তিনি। না পেয়ে তার জন্য হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অপেক্ষা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই নার্সকে অন্যত্র বদলির নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এছাড়া দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া ইউএইচএফপিও ও কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে জনগণের অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচার করা হয়েছিল। এর ফলে স্বাস্থ্য খাত শোচনীয় অবস্থায় পৌঁছেছিল। এ সময়ে জনবল, টিকা ও ওষুধের সংকট ছিল প্রকট।
হাসপাতালে আউটসোর্সিং ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকট রয়েছে, সেখানে পর্যায়ক্রমে জনবল বাড়ানো হবে। দুর্নীতি বন্ধ করে সীমিত বাজেটের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
হাসপাতালে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিক স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করে অনিয়ম পাওয়া গেলে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
পরে মন্ত্রী মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এসময় মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিয়া, মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার, জেলা পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহীসহ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




















