নীলফামারীতে প্রস্তাবিত ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালের সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি এখনো সমীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, প্রকল্পটিতে যারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তারা নিজ নিজ জায়গা থেকে সমীক্ষা চালাচ্ছেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন ও মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক এসব কথা বলেন। তিনি জানান, চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবার মান তদারকি, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই এই পরিদর্শন।
হাসপাতালগুলোর জনবল সংকট প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, সারা দেশেই স্বাস্থ্যখাতে কিছুটা জনবল সংকট রয়েছে। সরকার জেলা পর্যায়ে শূন্য পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ১ লাখ সুস্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. ওয়াজেদ আলী, নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক, দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি এবং সৈয়দপুর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আসিফ ফেরদৌসসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


























