মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৪:৩৬ অপরাহ্ন | ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

আজ বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস: সুরক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ে জোর

  • হালনাগাদ সময় : ০২:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আজ ৩০ অক্টোবর, বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস। অপচয় রোধ করে সঞ্চয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং সর্বস্তরে আর্থিক সচেতনতা বাড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্ব সঞ্চয় দিবস নামে পরিচিত এই দিনটির মূল লক্ষ্য হলো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে উদ্বুদ্ধ করা।

২০২৬ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরামর্শ দেয়, মানুষ সিদ্ধান্ত নেয়’। প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান যুগে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বিচক্ষণতা ও সচেতনতার গুরুত্বই এতে প্রধান্য পেয়েছে।

১৯২৪ সালে ইতালির মিলানে আন্তর্জাতিক সঞ্চয় ব্যাংক কংগ্রেসের সমাপনী দিনে অধ্যাপক ফিলিপ্পো রাভিজ্জা বিশ্ব সঞ্চয় দিবস পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এরপর ১৯২৫ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বজুড়ে দিবসটি উদযাপিত হয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সঞ্চয় কেবল অর্থ জমিয়ে রাখা নয়; এটি সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ জীবনযাপনের মূল ভিত্তি। জীবনের যেকোনো সংকটকালে, বিশেষ করে অসুস্থতা, কর্মহীনতা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে পূর্বের সঞ্চিত অর্থই সবচেয়ে বড় অবলম্বন হয়ে ওঠে।

বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও দ্রব্যমূল্যের বাস্তবতায় সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা আরও বহুগুণ বেড়েছে। আয়ের পরিমাণ যাই হোক না কেন, পরিকল্পনামাফিক ব্যয় ও নিয়মিত সঞ্চয় ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মিতব্যয়ী হওয়া মানে প্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন নয়, বরং অযাচিত খরচ এড়িয়ে অর্থের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিলেন রাসেল মিয়া

30 October 2026

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি: বিমানে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

আজ বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস: সুরক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ে জোর

হালনাগাদ সময় : ০২:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আজ ৩০ অক্টোবর, বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস। অপচয় রোধ করে সঞ্চয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং সর্বস্তরে আর্থিক সচেতনতা বাড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্ব সঞ্চয় দিবস নামে পরিচিত এই দিনটির মূল লক্ষ্য হলো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে উদ্বুদ্ধ করা।

২০২৬ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরামর্শ দেয়, মানুষ সিদ্ধান্ত নেয়’। প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান যুগে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বিচক্ষণতা ও সচেতনতার গুরুত্বই এতে প্রধান্য পেয়েছে।

১৯২৪ সালে ইতালির মিলানে আন্তর্জাতিক সঞ্চয় ব্যাংক কংগ্রেসের সমাপনী দিনে অধ্যাপক ফিলিপ্পো রাভিজ্জা বিশ্ব সঞ্চয় দিবস পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এরপর ১৯২৫ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বজুড়ে দিবসটি উদযাপিত হয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সঞ্চয় কেবল অর্থ জমিয়ে রাখা নয়; এটি সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ জীবনযাপনের মূল ভিত্তি। জীবনের যেকোনো সংকটকালে, বিশেষ করে অসুস্থতা, কর্মহীনতা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে পূর্বের সঞ্চিত অর্থই সবচেয়ে বড় অবলম্বন হয়ে ওঠে।

বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও দ্রব্যমূল্যের বাস্তবতায় সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা আরও বহুগুণ বেড়েছে। আয়ের পরিমাণ যাই হোক না কেন, পরিকল্পনামাফিক ব্যয় ও নিয়মিত সঞ্চয় ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মিতব্যয়ী হওয়া মানে প্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন নয়, বরং অযাচিত খরচ এড়িয়ে অর্থের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

Share this news as a Photo Card