ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু বেসামরিক নাগরিক।
শান্তি আলোচনার নানামুখী উদ্যোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সীমিত পরিসরে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে এই রক্তক্ষয়ী হামলা চালায় রুশ বাহিনী।
হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়েছে দিনিপ্রো শহরে। সেখানে একটি ব্যস্ত রেলস্টেশনে ড্রোন আঘাত হানলে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। একটি যাত্রীবাহী ট্রেন স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে প্ল্যাটফর্মে সরাসরি আছড়ে পড়ে ড্রোনটি। এছাড়া শহরের শিক্ষার্থীদের একটি আবাসিক ভবন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রেও হামলা চালানো হয়। এতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এদিকে উত্তর ইউক্রেনের চেরনিহিভ শহরের একটি ব্যস্ত সড়কে ড্রোনের আঘাতে দুই কিশোরী নিহত হয়েছে। সেখানে চার শিশুসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২৩ জন। মধ্য ইউক্রেনের ক্রেমেনচুক এবং রাজধানী কিয়েভে পৃথক হামলায় আরও চারজন প্রাণ হারিয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎস্কি ও প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ হামলাকে অত্যন্ত বর্বরোচিত ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সতর্ক করে জানিয়েছেন, রাশিয়া নতুন করে আরও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এসব হামলা প্রতিহত করতে পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
























