ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বাটার রেকর্ড মুনাফা: প্রথম প্রান্তিকে অর্জন নতুন মাইলফলক

বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে শক্তিশালী ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং পরিবর্তনশীল স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও কোম্পানিটি বছরের প্রথম প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। ঈদ মৌসুমের ইতিবাচক বাজার চাহিদা, কৌশলগত ব্যবসায়িক বাস্তবায়ন এবং ক্রেতাদের অব্যাহত আস্থার ভিত্তিতে বহুজাতিক পাদুকা কোম্পানিটি জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ প্রান্তিকে বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির বিক্রয় দাঁড়ায় ৩৭৯ দশমিক ৭ কোটি টাকা। ঈদ মৌসুমকে ঘিরে ক্রেতাদের বাড়তি কেনাকাটা, বৈচিত্র্যময় পণ্যের সমাহার এবং দেশব্যাপী ক্রেতা চাহিদার ধারাবাহিকতা এ প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি বাটার বিস্তৃত রিটেইল নেটওয়ার্ক, বিকল্প বিক্রয় চ্যানেলের সম্প্রসারণ এবং নতুন কালেকশনগুলোতেও ক্রেতাদের ইতিবাচক সাড়া কোম্পানিটির এ রেকর্ড পারফরম্যান্সে সহায়তা করেছে।

মুদ্রাস্ফীতি, লজিস্টিকস, ব্র্যান্ড প্রমোশন ও সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির চাপ থাকা সত্ত্বেও দক্ষ উৎপাদন পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত সোর্সিং উদ্যোগের মাধ্যমে বাটা বাংলাদেশ প্রান্তিকজুড়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ও কার্যক্রমের গতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। একইসঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মধ্যম মূল্যসীমা বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি দেশজুড়ে ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য পাদুকা পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৫ কোটি টাকা এবং কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৭ দশমিক ১ কোটি টাকা; যা কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে রেকর্ড মুনাফা অর্জনে সহায়তা করেছে।

কোম্পানিটি জানায়, দেশের অন্যতম বড় উৎসব ঈদ, এই বছর প্রথম প্রান্তিকেই পড়ায় বছরের শুরুতেই বাজারে ক্রেতা চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এই চাহিদা মোকাবিলায় বাটা নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পণ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করেছে। টানা সপ্তমবারের মতো চামড়া ও পাদুকা শিল্প খাতে সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাটা বাংলাদেশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাটার রেকর্ড মুনাফা: প্রথম প্রান্তিকে অর্জন নতুন মাইলফলক

আপডেট সময় : ০১:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে শক্তিশালী ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং পরিবর্তনশীল স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও কোম্পানিটি বছরের প্রথম প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। ঈদ মৌসুমের ইতিবাচক বাজার চাহিদা, কৌশলগত ব্যবসায়িক বাস্তবায়ন এবং ক্রেতাদের অব্যাহত আস্থার ভিত্তিতে বহুজাতিক পাদুকা কোম্পানিটি জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ প্রান্তিকে বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির বিক্রয় দাঁড়ায় ৩৭৯ দশমিক ৭ কোটি টাকা। ঈদ মৌসুমকে ঘিরে ক্রেতাদের বাড়তি কেনাকাটা, বৈচিত্র্যময় পণ্যের সমাহার এবং দেশব্যাপী ক্রেতা চাহিদার ধারাবাহিকতা এ প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি বাটার বিস্তৃত রিটেইল নেটওয়ার্ক, বিকল্প বিক্রয় চ্যানেলের সম্প্রসারণ এবং নতুন কালেকশনগুলোতেও ক্রেতাদের ইতিবাচক সাড়া কোম্পানিটির এ রেকর্ড পারফরম্যান্সে সহায়তা করেছে।

মুদ্রাস্ফীতি, লজিস্টিকস, ব্র্যান্ড প্রমোশন ও সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির চাপ থাকা সত্ত্বেও দক্ষ উৎপাদন পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত সোর্সিং উদ্যোগের মাধ্যমে বাটা বাংলাদেশ প্রান্তিকজুড়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ও কার্যক্রমের গতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। একইসঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মধ্যম মূল্যসীমা বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি দেশজুড়ে ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য পাদুকা পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৫ কোটি টাকা এবং কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৭ দশমিক ১ কোটি টাকা; যা কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে রেকর্ড মুনাফা অর্জনে সহায়তা করেছে।

কোম্পানিটি জানায়, দেশের অন্যতম বড় উৎসব ঈদ, এই বছর প্রথম প্রান্তিকেই পড়ায় বছরের শুরুতেই বাজারে ক্রেতা চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এই চাহিদা মোকাবিলায় বাটা নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পণ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করেছে। টানা সপ্তমবারের মতো চামড়া ও পাদুকা শিল্প খাতে সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাটা বাংলাদেশ।