ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

রৌমারীতে ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে নিঃস্ব ৭০০ পরিবার, বিলীন দুই স্কুল

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ১৮ দিনের ব্যবধানে নদের গর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় শতাধিক হেক্টর আবাদি জমি। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন অন্তত ৭০০ পরিবারের মানুষ। ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি সুখেরবাতি আদর্শগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর গেন্দার আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বর্তমানে নদী তীরবর্তী মানুষজন চরম আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মাসে উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম নদে বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে সুখেরবাতি, চর গেন্দার আলগা, সোনাপুর, পশ্চিম খেদাইমারী ও নামাজের চর এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহহীন পরিবারগুলো এখন অন্যের জমিতে বা রাস্তার ধারে ঝুপড়ি ঘর তুলে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে সরকারি কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদী ভাঙনের শিকার হয়ে তারা বারবার বসতভিটা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেরই নতুন করে জমি কেনার সামর্থ্য নেই। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী সন্তান বা অসুস্থ স্বামী নিয়ে অসহায় নারীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, অনতিবিলম্বে ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না হলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে আরও অনেক গ্রাম ও সরকারি স্থাপনা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দ, আটক ১

রৌমারীতে ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে নিঃস্ব ৭০০ পরিবার, বিলীন দুই স্কুল

আপডেট সময় : ১১:১১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ১৮ দিনের ব্যবধানে নদের গর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় শতাধিক হেক্টর আবাদি জমি। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন অন্তত ৭০০ পরিবারের মানুষ। ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি সুখেরবাতি আদর্শগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর গেন্দার আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বর্তমানে নদী তীরবর্তী মানুষজন চরম আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মাসে উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম নদে বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে সুখেরবাতি, চর গেন্দার আলগা, সোনাপুর, পশ্চিম খেদাইমারী ও নামাজের চর এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহহীন পরিবারগুলো এখন অন্যের জমিতে বা রাস্তার ধারে ঝুপড়ি ঘর তুলে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে সরকারি কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদী ভাঙনের শিকার হয়ে তারা বারবার বসতভিটা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেরই নতুন করে জমি কেনার সামর্থ্য নেই। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী সন্তান বা অসুস্থ স্বামী নিয়ে অসহায় নারীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, অনতিবিলম্বে ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না হলে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে আরও অনেক গ্রাম ও সরকারি স্থাপনা।