মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:৪৩ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

হাতীবান্ধায় চিতাবাঘের আতঙ্ক, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

  • হালনাগাদ সময় : ১০:২৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সীমান্ত পেরিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়া চিতাবাঘটির সন্ধান গত তিন দিনেও মেলেনি। বাঘটি ভারতে ফিরে যেতে না পেরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই অবস্থান করছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলে পুরো সীমান্তবর্তী এলাকায় তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাঘটি সর্বশেষ যেখানে দেখা গিয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে একটি ঘন শালবন রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ড্রোনের নজরদারি ও মানুষের উপস্থিতি এড়িয়ে বাঘটি সেই শালবনের ভেতরে কিংবা আশপাশের ঘন ঝোপঝাড়ে আত্মগোপন করে থাকতে পারে।

বাঘের আতঙ্কে হাতীবান্ধার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় বাঘ দেখার নতুন নতুন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট হাতে দলবদ্ধভাবে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

সীমান্ত এলাকার একাধিক বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, বাঘটি বাংলাদেশে ঢোকার পর বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতার কারণে সীমান্তঘেঁষা জঙ্গল বা কাঁটাতার পেরিয়ে আর ভারতে ফিরে যেতে পারেনি। আমঝোল সীমান্ত ও সিঙ্গিমারি এলাকায় এটি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। দিনের বেলা মানুষের ভিড় এড়িয়ে বাঘটি শালবন বা ঘন ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকলেও রাতের অন্ধকারে খাবার বা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বের হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি বিচারে লোকালয়ে শিশু কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি এড়াতে হাতীবান্ধার কয়েকটি গ্রামের যুবকেরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট হাতে রাতভর পাহারা দিচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। স্থানীয় মসজিদগুলো থেকেও বাঘের উপস্থিতি নিয়ে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকে ৭ দিনের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত

28 October 2026

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতেই হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

হাতীবান্ধায় চিতাবাঘের আতঙ্ক, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

হালনাগাদ সময় : ১০:২৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সীমান্ত পেরিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়া চিতাবাঘটির সন্ধান গত তিন দিনেও মেলেনি। বাঘটি ভারতে ফিরে যেতে না পেরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই অবস্থান করছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলে পুরো সীমান্তবর্তী এলাকায় তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাঘটি সর্বশেষ যেখানে দেখা গিয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে একটি ঘন শালবন রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ড্রোনের নজরদারি ও মানুষের উপস্থিতি এড়িয়ে বাঘটি সেই শালবনের ভেতরে কিংবা আশপাশের ঘন ঝোপঝাড়ে আত্মগোপন করে থাকতে পারে।

বাঘের আতঙ্কে হাতীবান্ধার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় বাঘ দেখার নতুন নতুন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট হাতে দলবদ্ধভাবে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

সীমান্ত এলাকার একাধিক বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, বাঘটি বাংলাদেশে ঢোকার পর বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতার কারণে সীমান্তঘেঁষা জঙ্গল বা কাঁটাতার পেরিয়ে আর ভারতে ফিরে যেতে পারেনি। আমঝোল সীমান্ত ও সিঙ্গিমারি এলাকায় এটি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। দিনের বেলা মানুষের ভিড় এড়িয়ে বাঘটি শালবন বা ঘন ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকলেও রাতের অন্ধকারে খাবার বা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বের হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি বিচারে লোকালয়ে শিশু কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি এড়াতে হাতীবান্ধার কয়েকটি গ্রামের যুবকেরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট হাতে রাতভর পাহারা দিচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। স্থানীয় মসজিদগুলো থেকেও বাঘের উপস্থিতি নিয়ে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card