মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৯:৫০ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

সামরিক শক্তির ভারসাম্যে জান্তার দিকে মোড়: চীন সীমান্তে বিদ্রোহীদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শহর পুনরুদ্ধার

  • হালনাগাদ সময় : ১২:১৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথে অবস্থিত কিয়াউকম শহরের নিয়ন্ত্রণ মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে বিদ্রোহীর কাছ থেকে সামরিক জান্তা পুনরুদ্ধার করেছে। বছর কয়েক মাস ধরে তীব্র লড়াইয়ের পর তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এই শহরটির দখল নিয়েছিল, যা তখন জান্তাবিরোধীদের জন্য এক বড় জয় হিসেবে দেখা হয়েছিল। কিয়াউকম এশিয়ান হাইওয়ে ১৪ বা পুরোনো ‘বার্মা রোড’-এর ওপর অবস্থিত, যা মিয়ানমারের বাকি অংশের সঙ্গে চীন সীমান্তকে যুক্ত করেছে।এই ছোট পাহাড়ি শহরের দখল-পুনর্দখল স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, মিয়ানমারের সামরিক ভারসাম্য এখন জান্তার অনুকূলে কতটা সরে গেছে।কিয়াউকম অঞ্চলকে এই লড়াইয়ের জন্য চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। টিএনএলএর নিয়ন্ত্রণে থাকাকালে সামরিক বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই সেখানে বিমান হামলা চালিয়েছে, এতে শহরের বিশাল অংশ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। এখন সামরিক বাহিনী শহরটি পুনরুদ্ধার করার পর বাসিন্দারা আবার ফিরতে শুরু করেছেন।টিএনএলএর মুখপাত্র টার পার্ন লা চলতি মাসের শুরুতে বিবিসিকে বলেছিলেন যে, বিদ্রোহীদের তুলনায় সেনাবাহিনীর বেশি সেনা, ভারী অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান রয়েছে। পরে বিবিসি যখন তাঁর সঙ্গে কথা বলে, ততক্ষণে জান্তা বাহিনী হিসিপাও এলাকাও পুনর্দখল করেছে। গত বছর টিএনএলএর দখলে থাকা শেষ শহর ছিল হিসিপাও। এভাবে চীন সীমান্তের রাস্তায় জান্তা বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।জান্তা বাহিনীর ঘুরে দাঁড়ানোর কারণসামরিক বাহিনী তাদের হারানো এলাকা পুনরুদ্ধারে সাফল্য পাচ্ছে। এর কয়েকটি মূল কারণ হলো:চীনের পূর্ণ সমর্থন: চীন জান্তার আগামী ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে এবং প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সহযোগিতা দিচ্ছে। বেইজিংয়ের নীতি হলো ‘রাষ্ট্রের পতন নয়’, আর যখন মনে হয়েছে রাষ্ট্র টলতে পারে, তখন চীন হস্তক্ষেপ করেছে। চীন মিয়ানমারকে ভারত মহাসাগরে প্রবেশদ্বার এবং দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের জন্য তেল ও গ্যাস সরবরাহের রুট হিসেবে দেখে।আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি: জান্তা সরকার চীন থেকে হাজার হাজার আধুনিক ড্রোন কিনেছে, যা বিরোধীদের সস্তা ড্রোন ব্যবহারের প্রাথমিক সুবিধাটির জবাব দিয়েছে। এই প্রযুক্তি আকাশে জান্তার অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।বর্ধিত নির্ভুলতা: অ্যাকলেডের বিশ্লেষক সু মন বলেছেন, প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো জানাচ্ছে যে প্রায় অবিরাম ড্রোন হামলায় তাদের অনেক যোদ্ধা নিহত হচ্ছেন। জান্তার বিমান হামলাও আরও নির্ভুল হচ্ছে, সম্ভবত ড্রোন দিয়ে পথ দেখানোর কারণে।জোরপূর্বক নিয়োগ: জান্তা সরকার ২০২৩ সালের শেষের দিকে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে জোরপূর্বক নিয়োগ শুরু করে, ফলে প্রায় ৬০ হাজারের বেশি তরুণ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত অনভিজ্ঞ সেনারা ড্রোন ও বিমান হামলার পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিস্থিতি পাল্টে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছেন।বিরোধীদের দুর্বল সংগঠন: খণ্ডিত বিরোধী আন্দোলন অন্তর্নিহিত দুর্বলতার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অভিজ্ঞ যোদ্ধাদের পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসী বা শহর থেকে পালিয়ে আসা তরুণ কর্মীদের দ্বারা গঠিত ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা পিডিএফ দুর্বলভাবে সংগঠিত। তাদের আন্দোলনের কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেই, কারণ তারা জাতিগত বার্মিজ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রতি গভীর অবিশ্বাস পোষণ করে এবং ক্ষমতাচ্যুত সরকারের গঠিত জাতীয় ঐক্য সরকারের কর্তৃত্বকে স্বীকৃতি দেয় না।বিদ্রোহী জোটের পিছু হটা২০২৩ সালের অক্টোবরে শান রাজ্যের তিনটি জাতিগত গোষ্ঠী ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ গঠন করে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ১০২৭’ অভিযান শুরু করেছিল। এই জোট ড্রোন ও ভারী কামান মোতায়েন করে সামরিক জান্তাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দেয় এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ১৮০টি ঘাঁটি দখল করে নেয়। কিন্তু সামরিক শাসনের পতন হয়নি।চাপের মুখে নতিস্বীকার: চীনের প্রবল চাপের পর ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের এক মিত্র গোষ্ঠী এমএনডিএএ লাশিও (পূর্ব শান রাজ্যের সামরিক সদর দপ্তর) ছেড়ে দেয় এবং জান্তার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে সম্মত হয়। শান রাজ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও অস্ত্রসজ্জিত ইউডব্লিউএসএ গোষ্ঠীও চীনের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে মিয়ানমারের অন্যান্য বিরোধী গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ: আরও দক্ষিণে থাইল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্তের দ্বিতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং, কারেন রাজ্যে যাওয়ার রাস্তাটির নিয়ন্ত্রণও জান্তা পুনরুদ্ধার করেছে।জান্তা বাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়, যেমন প্রধান বাণিজ্য রুট এবং যেখানে তারা নির্বাচন করতে চায়, সেখানে তাদের বাহিনী জড়ো করছে।যদিও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো রাখাইন ও চিন রাজ্যের বেশির ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং জান্তা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করছে, সামগ্রিক চিত্র হলো সামরিক বাহিনীর বিজয়গুলো বাড়ছে।ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের মরগান মাইকেলস বলেন, জান্তা বাহিনীর সহিংসতা ছিল ব্যাপক এবং সেই দেশে এমন লোক খুব কমই আছেন, যাঁরা জান্তার ক্ষতির শিকার হননি। তাই শান্তি এখনো অনেক দূরে বলে মনে হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি

27 October 2026

জামালপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যা: ১১ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

সামরিক শক্তির ভারসাম্যে জান্তার দিকে মোড়: চীন সীমান্তে বিদ্রোহীদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শহর পুনরুদ্ধার

হালনাগাদ সময় : ১২:১৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

মিয়ানমারে চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথে অবস্থিত কিয়াউকম শহরের নিয়ন্ত্রণ মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে বিদ্রোহীর কাছ থেকে সামরিক জান্তা পুনরুদ্ধার করেছে। বছর কয়েক মাস ধরে তীব্র লড়াইয়ের পর তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এই শহরটির দখল নিয়েছিল, যা তখন জান্তাবিরোধীদের জন্য এক বড় জয় হিসেবে দেখা হয়েছিল। কিয়াউকম এশিয়ান হাইওয়ে ১৪ বা পুরোনো ‘বার্মা রোড’-এর ওপর অবস্থিত, যা মিয়ানমারের বাকি অংশের সঙ্গে চীন সীমান্তকে যুক্ত করেছে।এই ছোট পাহাড়ি শহরের দখল-পুনর্দখল স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, মিয়ানমারের সামরিক ভারসাম্য এখন জান্তার অনুকূলে কতটা সরে গেছে।কিয়াউকম অঞ্চলকে এই লড়াইয়ের জন্য চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। টিএনএলএর নিয়ন্ত্রণে থাকাকালে সামরিক বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই সেখানে বিমান হামলা চালিয়েছে, এতে শহরের বিশাল অংশ ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। এখন সামরিক বাহিনী শহরটি পুনরুদ্ধার করার পর বাসিন্দারা আবার ফিরতে শুরু করেছেন।টিএনএলএর মুখপাত্র টার পার্ন লা চলতি মাসের শুরুতে বিবিসিকে বলেছিলেন যে, বিদ্রোহীদের তুলনায় সেনাবাহিনীর বেশি সেনা, ভারী অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান রয়েছে। পরে বিবিসি যখন তাঁর সঙ্গে কথা বলে, ততক্ষণে জান্তা বাহিনী হিসিপাও এলাকাও পুনর্দখল করেছে। গত বছর টিএনএলএর দখলে থাকা শেষ শহর ছিল হিসিপাও। এভাবে চীন সীমান্তের রাস্তায় জান্তা বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।জান্তা বাহিনীর ঘুরে দাঁড়ানোর কারণসামরিক বাহিনী তাদের হারানো এলাকা পুনরুদ্ধারে সাফল্য পাচ্ছে। এর কয়েকটি মূল কারণ হলো:চীনের পূর্ণ সমর্থন: চীন জান্তার আগামী ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে এবং প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সহযোগিতা দিচ্ছে। বেইজিংয়ের নীতি হলো ‘রাষ্ট্রের পতন নয়’, আর যখন মনে হয়েছে রাষ্ট্র টলতে পারে, তখন চীন হস্তক্ষেপ করেছে। চীন মিয়ানমারকে ভারত মহাসাগরে প্রবেশদ্বার এবং দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের জন্য তেল ও গ্যাস সরবরাহের রুট হিসেবে দেখে।আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি: জান্তা সরকার চীন থেকে হাজার হাজার আধুনিক ড্রোন কিনেছে, যা বিরোধীদের সস্তা ড্রোন ব্যবহারের প্রাথমিক সুবিধাটির জবাব দিয়েছে। এই প্রযুক্তি আকাশে জান্তার অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।বর্ধিত নির্ভুলতা: অ্যাকলেডের বিশ্লেষক সু মন বলেছেন, প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো জানাচ্ছে যে প্রায় অবিরাম ড্রোন হামলায় তাদের অনেক যোদ্ধা নিহত হচ্ছেন। জান্তার বিমান হামলাও আরও নির্ভুল হচ্ছে, সম্ভবত ড্রোন দিয়ে পথ দেখানোর কারণে।জোরপূর্বক নিয়োগ: জান্তা সরকার ২০২৩ সালের শেষের দিকে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে জোরপূর্বক নিয়োগ শুরু করে, ফলে প্রায় ৬০ হাজারের বেশি তরুণ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত অনভিজ্ঞ সেনারা ড্রোন ও বিমান হামলার পাশাপাশি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিস্থিতি পাল্টে দিতে বড় ভূমিকা রেখেছেন।বিরোধীদের দুর্বল সংগঠন: খণ্ডিত বিরোধী আন্দোলন অন্তর্নিহিত দুর্বলতার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অভিজ্ঞ যোদ্ধাদের পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসী বা শহর থেকে পালিয়ে আসা তরুণ কর্মীদের দ্বারা গঠিত ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা পিডিএফ দুর্বলভাবে সংগঠিত। তাদের আন্দোলনের কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেই, কারণ তারা জাতিগত বার্মিজ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রতি গভীর অবিশ্বাস পোষণ করে এবং ক্ষমতাচ্যুত সরকারের গঠিত জাতীয় ঐক্য সরকারের কর্তৃত্বকে স্বীকৃতি দেয় না।বিদ্রোহী জোটের পিছু হটা২০২৩ সালের অক্টোবরে শান রাজ্যের তিনটি জাতিগত গোষ্ঠী ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ গঠন করে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ১০২৭’ অভিযান শুরু করেছিল। এই জোট ড্রোন ও ভারী কামান মোতায়েন করে সামরিক জান্তাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দেয় এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ১৮০টি ঘাঁটি দখল করে নেয়। কিন্তু সামরিক শাসনের পতন হয়নি।চাপের মুখে নতিস্বীকার: চীনের প্রবল চাপের পর ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের এক মিত্র গোষ্ঠী এমএনডিএএ লাশিও (পূর্ব শান রাজ্যের সামরিক সদর দপ্তর) ছেড়ে দেয় এবং জান্তার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে সম্মত হয়। শান রাজ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও অস্ত্রসজ্জিত ইউডব্লিউএসএ গোষ্ঠীও চীনের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে মিয়ানমারের অন্যান্য বিরোধী গোষ্ঠীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ: আরও দক্ষিণে থাইল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্তের দ্বিতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং, কারেন রাজ্যে যাওয়ার রাস্তাটির নিয়ন্ত্রণও জান্তা পুনরুদ্ধার করেছে।জান্তা বাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়, যেমন প্রধান বাণিজ্য রুট এবং যেখানে তারা নির্বাচন করতে চায়, সেখানে তাদের বাহিনী জড়ো করছে।যদিও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো রাখাইন ও চিন রাজ্যের বেশির ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং জান্তা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করছে, সামগ্রিক চিত্র হলো সামরিক বাহিনীর বিজয়গুলো বাড়ছে।ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের মরগান মাইকেলস বলেন, জান্তা বাহিনীর সহিংসতা ছিল ব্যাপক এবং সেই দেশে এমন লোক খুব কমই আছেন, যাঁরা জান্তার ক্ষতির শিকার হননি। তাই শান্তি এখনো অনেক দূরে বলে মনে হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card