হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান ও শৃঙ্খলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের বর্তমান পরিবেশ আগের তুলনায় অনেক বেশি শৃঙ্খলিত।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার পর এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দরের ভিআইপি ফটকে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে চারটি ফ্লাইট অবতরণ করায় বিমানবন্দরের ওপর কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছিল এবং ছয়টি লাগেজ বেল্টই ব্যস্ত ছিল। তবে এর মধ্যেও যাত্রীরা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আগে বিমানবন্দরের কিছু দুর্নাম ও লাগেজ হারানো বা কেটে যাওয়ার মতো অভিযোগ থাকলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। যাত্রীরা এখন এসব সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার কথা বলছেন।
তৃতীয় টার্মিনাল ও অন্যান্য বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ বা পরিচালনা করা যাবে না—এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এ সময় তিনি সিঙ্গাপুরের উদাহরণ টেনে জানান, একটি বিমানবন্দর নির্মাণে অনেক দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।
মন্ত্রী বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১ ও ২ নির্দিষ্ট কিছু ফ্লাইট যেমন বাজেট এয়ারলাইনস, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ও হজযাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানান, যা ভবিষ্যতে ফ্লাইট পরিচালনাকে আরও নির্বিঘ্ন করবে।























