গুরুর টান, মরমি সাধনা আর আত্মার প্রশান্তি খুঁজতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়িতে সমবেত হয়েছেন হাজারো সাধু, বাউল ও অনুরাগী। লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী সাধুসঙ্গ ও স্মরণোৎসবে মুখরিত হয়ে উঠেছে সাইজির বারামখানা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা অনুসারীরা গান ও লালন দর্শনের মধ্য দিয়ে আত্মিক সংযোগ স্থাপন করছেন। ভক্তদের মতে, ছেঁউড়িয়ার এই সাধনভূমিতে সমবেত হওয়া কেবল কোনো উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি গুরু-শিষ্য পরম্পরা ও সাধনার ধারাকে ধারণ করার এক মহা উপলক্ষ।
লালনসংগীতের তাৎপর্য তুলে ধরে গবেষকরা জানান, লালনের গানের প্রতিটি বাণীর গভীরে রয়েছে জীবনবোধ ও মানবপ্রেমের শিক্ষা। অনুষ্ঠানে আসা ভক্ত-সাধকরা জানান, গুরুর প্রতি ভক্তি ও মরমি ভাবধারাই তাঁদের এক সূত্রে বেঁধে রেখেছে।


























