মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০১:১৬ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বৈদেশিক ঋণ প্রতিশ্রুতি ৩৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি

  • হালনাগাদ সময় : ০৬:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও অর্থছাড়— উভয় সূচকেই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালানাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই-অক্টোবর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ১.২০৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭৫ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময়ে প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল মাত্র ২৫৪.৫৭ মিলিয়ন ডলার।

ইআরডি বলছে, গত অর্থবছরের শুরুতে (জুলাই ২০২৪) গণঅভ্যুত্থান ও সরকার পরিবর্তনের কারণে বৈদেশিক ঋণ প্রক্রিয়ার গতি শ্লথ হয়ে যায়। অনেক প্রকল্পের ঋণ আলোচনা ও অনুমোদন কার্যত স্থগিত ছিল। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রতিশ্রুতি আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থছাড়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা ছাড় করেছে ১.৬৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ১.২০ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩৮.৫১ শতাংশ বেশি।

এ সময়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করেছে ১.৫৮৫ বিলিয়ন ডলার— প্রায় অর্থছাড়ের সমান পরিমাণ।

ইআরডির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধি প্রকল্প সহায়তা প্রবাহের ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে। তবে একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়তে থাকায় সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকে ৭ দিনের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত

28 October 2026

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতেই হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বৈদেশিক ঋণ প্রতিশ্রুতি ৩৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি

হালনাগাদ সময় : ০৬:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও অর্থছাড়— উভয় সূচকেই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালানাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই-অক্টোবর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ১.২০৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৭৫ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময়ে প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল মাত্র ২৫৪.৫৭ মিলিয়ন ডলার।

ইআরডি বলছে, গত অর্থবছরের শুরুতে (জুলাই ২০২৪) গণঅভ্যুত্থান ও সরকার পরিবর্তনের কারণে বৈদেশিক ঋণ প্রক্রিয়ার গতি শ্লথ হয়ে যায়। অনেক প্রকল্পের ঋণ আলোচনা ও অনুমোদন কার্যত স্থগিত ছিল। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রতিশ্রুতি আগের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থছাড়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা ছাড় করেছে ১.৬৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ১.২০ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩৮.৫১ শতাংশ বেশি।

এ সময়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করেছে ১.৫৮৫ বিলিয়ন ডলার— প্রায় অর্থছাড়ের সমান পরিমাণ।

ইআরডির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধি প্রকল্প সহায়তা প্রবাহের ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে। তবে একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়তে থাকায় সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

Share this news as a Photo Card