মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:০৮ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়ার প্রস্তাব

  • হালনাগাদ সময় : ০৩:১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়ার জন্য একটি প্রস্তাব রেখে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ (সংশোধন) ২০২৫’-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই এই খসড়াটি প্রস্তুত করেছে। খসড়াটি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ বিভাগে পাঠানোও হয়েছে।

বর্তমানে, ১৯৮৬ সালের রাষ্ট্রীয় মর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ১৫তম অবস্থানে রয়েছেন। এই একই অবস্থানে অ্যাটর্নি জেনারেল, কম্পোটলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল এবং ন্যায়পালও রয়েছেন। গভর্নরের বর্তমান অবস্থান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের নিচে, তবে সরকারের অন্যান্য সচিবদের ওপরে।

প্রধানমন্ত্রী ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ২০১৬’ অনুযায়ী এবং মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ‘দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ২০১৬’ অনুযায়ী তাঁদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পান।

একজন মন্ত্রী হিসেবে মাসে বেতন পান এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি দৈনিক ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা, মাসিক নিয়ামক ভাতা ১০ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। মন্ত্রীদের এই বেতন সম্পূর্ণ করমুক্ত।

মন্ত্রীরা সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি পান। পাশাপাশি, ঢাকার বাইরে দাপ্তরিক সফরে গেলে তাঁরা অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পান, যার সব খরচও সরকারই বহন করে।

এর পাশাপাশি, মন্ত্রীরা যে সরকারি বাসভবনে থাকেন, তার গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন বিলসহ সব ধরনের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সরকার বহন করে। যদি কোনো মন্ত্রী সরকারি বাসায় না থাকেন, তবে তিনি বাড়ি ভাড়া বাবদ মাসে ৮০ হাজার টাকা পান। সেই সাথে তিনি বাড়ির ব্যবস্থাপনা খরচ এবং সব ধরনের সেবা খাতের বিলও পেয়ে থাকেন।

সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরীর পাশাপাশি একজন মন্ত্রী তাঁর বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের খরচ পান। তিনি নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণের জন্যও খরচ পান। এমনকি, তাঁর অন্তত দুজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচও দেওয়া হয়।

একজন মন্ত্রী তাঁর দাপ্তরিক কাজের জন্য উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরও একজন সহকারী একান্ত সচিব পান। এছাড়া তিনি জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস এবং একজন পাচক বা পিয়ন পেয়ে থাকেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলে তীব্র ঝুলন্ত পার্লামেন্ট: একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারও, কে হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী?

28 October 2026

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে আছে ৩১৮টি বিপজ্জনক রাসায়নিক কনটেইনার: বড় বিস্ফোরণঝুঁকি

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়ার প্রস্তাব

হালনাগাদ সময় : ০৩:১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়ার জন্য একটি প্রস্তাব রেখে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ (সংশোধন) ২০২৫’-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই এই খসড়াটি প্রস্তুত করেছে। খসড়াটি ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ বিভাগে পাঠানোও হয়েছে।

বর্তমানে, ১৯৮৬ সালের রাষ্ট্রীয় মর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ১৫তম অবস্থানে রয়েছেন। এই একই অবস্থানে অ্যাটর্নি জেনারেল, কম্পোটলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল এবং ন্যায়পালও রয়েছেন। গভর্নরের বর্তমান অবস্থান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিবের নিচে, তবে সরকারের অন্যান্য সচিবদের ওপরে।

প্রধানমন্ত্রী ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ২০১৬’ অনুযায়ী এবং মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ‘দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ২০১৬’ অনুযায়ী তাঁদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পান।

একজন মন্ত্রী হিসেবে মাসে বেতন পান এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি দৈনিক ভাতা হিসেবে দুই হাজার টাকা, মাসিক নিয়ামক ভাতা ১০ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল হিসেবে ১০ লাখ টাকা এবং মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। মন্ত্রীদের এই বেতন সম্পূর্ণ করমুক্ত।

মন্ত্রীরা সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি পান। পাশাপাশি, ঢাকার বাইরে দাপ্তরিক সফরে গেলে তাঁরা অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পান, যার সব খরচও সরকারই বহন করে।

এর পাশাপাশি, মন্ত্রীরা যে সরকারি বাসভবনে থাকেন, তার গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন বিলসহ সব ধরনের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সরকার বহন করে। যদি কোনো মন্ত্রী সরকারি বাসায় না থাকেন, তবে তিনি বাড়ি ভাড়া বাবদ মাসে ৮০ হাজার টাকা পান। সেই সাথে তিনি বাড়ির ব্যবস্থাপনা খরচ এবং সব ধরনের সেবা খাতের বিলও পেয়ে থাকেন।

সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরীর পাশাপাশি একজন মন্ত্রী তাঁর বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের খরচ পান। তিনি নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণের জন্যও খরচ পান। এমনকি, তাঁর অন্তত দুজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচও দেওয়া হয়।

একজন মন্ত্রী তাঁর দাপ্তরিক কাজের জন্য উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরও একজন সহকারী একান্ত সচিব পান। এছাড়া তিনি জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস এবং একজন পাচক বা পিয়ন পেয়ে থাকেন।

Share this news as a Photo Card