তুরস্কের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য ২০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, পণ্যের বহুমুখীকরণ ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব জোরদারের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার আগ্রহী বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে তুরস্কের ১০৩তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকায় অবস্থিত তুরস্কের দূতাবাস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তুরস্কের প্রজাতন্ত্র ঘোষণার স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কূটনীতিকরা অংশ নেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক ঐতিহাসিক সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি বহুমাত্রিক অংশীদারত্ব। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩০ কোটি ডলার। তবে বিদ্যমান সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ বাণিজ্য ২০০ কোটি ডলার বা তার বেশিতে উন্নীত করা সম্ভব। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হলে তা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মধ্যকার বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, এ শীর্ষ বৈঠক দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। রোহিঙ্গা সংকটে তুরস্কের অবিচল মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বাংলাদেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দেশটির ধারাবাহিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানে তুর্কি ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। ঢাকা ও ইস্তাম্বুলের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগ দুই দেশের সার্বিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।























