ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জামায়াতে ইসলামী আধিপত্যবাদী ভারতের সঙ্গে লিয়াঁজো শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, আগে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য ভারতকে তোষণ করতো। এখন জামায়াত ভারতকে আওয়ামী লীগের মতো শোষণ করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। যে কারণে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে গোপনে বৈঠক করছেন।
শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদh শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করেছেন এবং এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রমাণ রয়েছে। এমনকি অনেক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যারা করেন তাদের কাছেও রয়েছে। আমার সাথে অনেক সাংবাদিক দেখা করেছেন। তাদেরকে আমি এই তথ্যগুলো দেখিয়েছি। তবে অনেকে বিভিন্ন কারণে বিষয়গুলো হয়তো প্রকাশ করতে পারছেন না।
রাশেদ খাঁন বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি একটি জনসভায় বলেছিলেন যে স্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। দুটি দল এক হয়েছে। তো এরকম বৈঠক জামায়াত প্রতিনিয়ত করছে।
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, সারাদিন আপনারা ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন আর রাতের বেলায় আবার ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করেন। এটা কি আসলে আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতি? এটা কখনোই আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতি হইতে পারে না। আমি যতটুকু তথ্য পেয়েছি যে জামায়াত আসলে আগামীতে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এখন থেকেই ভারতের সাথে লিয়াজো শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ভারতকে তোষণ করার জন্য তারা এ ধরনের গোয়েন্দা সংস্থার সাথে বৈঠক করছে। এটি আসলে বাংলাদেশের জনগণ খুব ভালো ভাবে নেয়নি। আর জামায়াত যদি মনে করে যে এ ধরনের বৈঠক হয়নি, আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুক। আদালতে একটি মামলা করুক। মামলা করলেই তো তখন আমাকেও ডাকবে। আমি তখন এই তথ্য নিয়ে হাজির হতে পারব।
বিরোধী দলের ঢাকা থেকে শুরু হওয়া খুলনা বিভাগীয় লংমার্চ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ঢাকা থেকে তারা লংমার্চ নিয়ে গোপালগঞ্জ হয়ে খুলনায় ঢুকবে। এরপর তারা যশোর-ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ করবে। জামায়াতের নেতাকর্মীরা প্রেস ব্রিফিং করেছে, তারা গোপালগঞ্জে পথসভা করবে না। জামায়াত বলছে, তারা এক আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না, অথচ গোপালগঞ্জে কোন পথসভা জনসভা তারা করবেন না। আওয়ামী লীগকে ভয় পেয়ে তারা গোপালগঞ্জে কোন পথসভা করবেন না, এটি তো আসলে হতে পারে না। তাদের যদি নৈতিকতা থাকে, আমি জামায়াত ইসলামকে বলবো, আপনারা গোপালগঞ্জে একটি পথসভা করুন। গোপালগঞ্জে পথসভা করে আপনারা আপনাদের নৈতিকতার পরীক্ষা টা দিয়ে দিন।
ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের জান্নাতের টিকিট বিক্রি আর কাজ করছে না। জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত জনগণকে জান্নাতের টিকিট দেখিয়ে ভোট আদায়ের চেষ্টা করেছিল।
























