ভিন্নমতের মানুষের জানাজা ও দাফনকাজে বাধা প্রদানকারীদের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, ক্ষমতায় আসার আগেই যারা এমন আচরণ করছে, কখনো ক্ষমতায় গেলে তারা আরও বেশি বর্বর রূপ ধারণ করবে। তাই জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করা এখন সবার নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, জামায়াত ও এনসিপির আদর্শিক নেতা শহীদ ওসমান হাদি শত্রুর সঙ্গেও ইনসাফের কথা বলে গেছেন। অথচ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এমনকি গভীর রাতে মোবাইল ফোনের আলোতে নারীদের কবর খুঁড়ে লাশ দাফন করতে হয়েছে, যা দলটির চরম বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ।
পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াতের প্রক্সি সংগঠন এনসিপির সিংহভাগ নেতাকর্মীই জামায়াত-শিবিরের সাবেক সদস্য। বিপদে পড়লে জামায়াতকে উদ্ধার করার উদ্দেশ্যেই এই দলটির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী নির্বাচনে আসন ছাড় পাওয়ার আশায় তারা জামায়াতি বর্বরতাকে তোষামোদের প্রতিযোগিতায় নেমেছে এবং নতুন বন্দোবস্তের নামে সহিংস রাজনীতিকে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

























