মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০২:২৩ অপরাহ্ন | ২৬শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার, ১০ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

চবি শিক্ষককে আটকের ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের একাংশের বিরুদ্ধে একপেশে খবরের অভিযোগ চাকসুর

  • হালনাগাদ সময় : ০৬:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের এক শিক্ষককে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদমাধ্যমের একাংশ একপেশে ও বস্তুনিষ্ঠতাহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব এই দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাঈদ বিন হাবিব বলেন, গত ১০ জানুয়ারি আইন বিভাগের শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ রোমান শুভর ক্যাম্পাসে উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাকসু নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে যান। ওই শিক্ষককে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের শারীরিক লাঞ্ছনা বা সহিংস আচরণ করা হয়নি। উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ভিডিও ফুটেজেও এর প্রমাণ রয়েছে। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে ‘মব জাস্টিস’ বা ‘হেনস্তা’ হিসেবে প্রচার করেছে, যা প্রকৃত ঘটনার পরিপন্থি এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

চাকসু নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে ছাত্র সংসদের নারী নেতৃসহ অন্যদের লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিং ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের পাশাপাশি তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। বিষয়টিকে কেবল মানহানি নয়, বরং নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি সংঘবদ্ধ অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে চাকসু জিএস বলেন, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুযায়ী জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়া ও নীতিগত ব্যাখ্যা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং নিয়োগ নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটবে।

সংবাদ সম্মেলনে চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা, ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপা এবং আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফাজলে রাব্বি তাওহীদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

26 October 2026

বিরোধী দলে থাকতেই দাফনে বাধা, ক্ষমতায় গেলে কী করবে জামায়াত: প্রশ্ন তাসনিম জারার

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

চবি শিক্ষককে আটকের ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের একাংশের বিরুদ্ধে একপেশে খবরের অভিযোগ চাকসুর

হালনাগাদ সময় : ০৬:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের এক শিক্ষককে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদমাধ্যমের একাংশ একপেশে ও বস্তুনিষ্ঠতাহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব এই দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাঈদ বিন হাবিব বলেন, গত ১০ জানুয়ারি আইন বিভাগের শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ রোমান শুভর ক্যাম্পাসে উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাকসু নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে যান। ওই শিক্ষককে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের শারীরিক লাঞ্ছনা বা সহিংস আচরণ করা হয়নি। উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ভিডিও ফুটেজেও এর প্রমাণ রয়েছে। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে ‘মব জাস্টিস’ বা ‘হেনস্তা’ হিসেবে প্রচার করেছে, যা প্রকৃত ঘটনার পরিপন্থি এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

চাকসু নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে ছাত্র সংসদের নারী নেতৃসহ অন্যদের লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিং ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের পাশাপাশি তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। বিষয়টিকে কেবল মানহানি নয়, বরং নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি সংঘবদ্ধ অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে চাকসু জিএস বলেন, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুযায়ী জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়া ও নীতিগত ব্যাখ্যা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং নিয়োগ নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটবে।

সংবাদ সম্মেলনে চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা, ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপা এবং আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফাজলে রাব্বি তাওহীদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।

Share this news as a Photo Card