মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:২৭ অপরাহ্ন | ২৮শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

এলপিজির দাম না বাড়িয়ে নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি ক্যাবের

  • হালনাগাদ সময় : ১১:৩৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য চার্জ না বাড়িয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট তৈরি, মজুত গোপন রাখা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিইআরসি আয়োজিত সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির মূল্যহার পরিবর্তনসংক্রান্ত গণশুনানিকে সামনে রেখে গত ২৬ অক্টোবর কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠান ক্যাবের সভাপতি এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।

চিঠিতে ক্যাব সভাপতি উল্লেখ করেন, নির্ধারিত মূল্যে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত না করে পুনরায় দাম ও সংশ্লিষ্ট চার্জ বাড়ানো হলে তা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে। পাইপলাইনের গ্যাসসুবিধাবঞ্চিত বিপুলসংখ্যক পরিবারের জন্য রান্নার অপরিহার্য জ্বালানি এলপিজি। খাদ্যদ্রব্য, বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক ব্যয় নির্বাহের পর জ্বালানির পেছনে বাড়তি খরচ বহন করা সাধারণ ভোক্তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন; নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দিতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান মূল্য আদেশ বাস্তবায়ন করাই কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বলে মনে করে ক্যাব।

আমদানিকারকদের ব্যয় বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে ক্যাব জানায়, যেকোনো দাবি প্রকৃত লেনদেনের নথি ও নিরীক্ষিত হিসাবের ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেই স্থানীয় পরিবহন ও বিতরণ ব্যয় একই অনুপাতে বাড়ে না। ফলে আমদানি মূল্যের অজুহাতে সব পর্যায়ে চার্জ বাড়ানো অযৌক্তিক। একই সঙ্গে অদক্ষ ব্যবস্থাপনার দায়ভার সাধারণ ভোক্তার কাঁধে চাপানো বন্ধ করাসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরেছে সংগঠনটি।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর টেস্ট: মুমিনুলের বিদায়ে আক্ষেপ নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ

28 October 2026

মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি বাংলাদেশ, টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

এলপিজির দাম না বাড়িয়ে নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিতের দাবি ক্যাবের

হালনাগাদ সময় : ১১:৩৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য চার্জ না বাড়িয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট তৈরি, মজুত গোপন রাখা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিইআরসি আয়োজিত সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির মূল্যহার পরিবর্তনসংক্রান্ত গণশুনানিকে সামনে রেখে গত ২৬ অক্টোবর কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠান ক্যাবের সভাপতি এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।

চিঠিতে ক্যাব সভাপতি উল্লেখ করেন, নির্ধারিত মূল্যে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত না করে পুনরায় দাম ও সংশ্লিষ্ট চার্জ বাড়ানো হলে তা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে। পাইপলাইনের গ্যাসসুবিধাবঞ্চিত বিপুলসংখ্যক পরিবারের জন্য রান্নার অপরিহার্য জ্বালানি এলপিজি। খাদ্যদ্রব্য, বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক ব্যয় নির্বাহের পর জ্বালানির পেছনে বাড়তি খরচ বহন করা সাধারণ ভোক্তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন; নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি দিতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান মূল্য আদেশ বাস্তবায়ন করাই কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বলে মনে করে ক্যাব।

আমদানিকারকদের ব্যয় বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে ক্যাব জানায়, যেকোনো দাবি প্রকৃত লেনদেনের নথি ও নিরীক্ষিত হিসাবের ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেই স্থানীয় পরিবহন ও বিতরণ ব্যয় একই অনুপাতে বাড়ে না। ফলে আমদানি মূল্যের অজুহাতে সব পর্যায়ে চার্জ বাড়ানো অযৌক্তিক। একই সঙ্গে অদক্ষ ব্যবস্থাপনার দায়ভার সাধারণ ভোক্তার কাঁধে চাপানো বন্ধ করাসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরেছে সংগঠনটি।

Share this news as a Photo Card